আন্তর্জাতিক সময় ৯ হাজারের বেশি চাকরি হারাচ্ছে এমিরেটস এয়ারলাইন্সে

১১-০৭-২০২০, ১১:২০

আন্তর্জাতিক সময় ডেস্ক

fb tw
৯ হাজারের বেশি চাকরি হারাচ্ছে এমিরেটস এয়ারলাইন্সে
এমিরেটস এয়ারলাইন্সের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে তারা খরচ কমানোর জন্য ৯ হাজারের বেশি কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিবিসি বলছে, এটি বিশ্বে করোনাভাইরাসের সময় কোনো বিমান সংস্থায় ছাঁটাইয়ের সবচেয়ে বড় তালিকা। করোনা সংকটের আগে এই বিমান সংস্থাটি কর্মী সংখ্যা ছিল ৬০ হাজার।
এরই মধ্যে সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট স্যার টিম ক্লার্ক ১০ শতাংশ কর্মী কমিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু তিনি বলছেন, ‘এই হার অন্তত ১৫ শতাংশ হতে ‍পারে। আমরা সে পথেই হাঁটছি।’
বিশ্বের বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে নানা ধরণের প্রভাব পড়েছে করোনাভাইরাসের কারণে। কিন্তু আশঙ্কার কথা হচ্ছে সংস্থাগুলো ক্ষতির মাত্রা কোনোভাবেই কমাতে পারছে না।
এত বড় সংখ্যক কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া টিম ক্লার্ক বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলছেন, ‘আমরা অন্য সংস্থার মতো অতটা খারাপ অবস্থানে নেই।’
তিনি বলেন, ‘এই মহামারির আগেও আমরা বিশ্বের সেরা বিমান সংস্থা হিসেবে খবরের শিরোনামে এসেছিলাম।’
তবে এই মহামারি বিশ্বের বিমান সংস্থাগুলো এবং যানবাহনের সঙ্গে জড়িতে ব্যক্তিদের উপর বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে। তাদের জীবনযাত্রার মান মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটাচ্ছে। এটি এমিরেটস সহ চাকরি হারানো সব সংস্থার কর্মীর জন্য খুবই দুঃখজনক।
বিবিসি বলছে, প্রতিদিন সংস্থাগুলোর ক্ষতির হার বাড়ছে। আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিন কাজে যাচ্ছেন কর্মীরা। এতে তাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ এবং কাজের স্বচ্ছতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একটি মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে কাটছে তাদের দিন। যেকোনো সময় চাকরি হারানোর ভয় জেঁকে বসেছে তাদের মধ্যে।
বিশ্বের অন্তত ৭শ’ সংস্থার ৪ হাজার ৫০০ বিমান চালক তাদের কর্মস্থল থেকে কোনো কারণ ছাড়াই নেতিবাচক নোটিশ পেয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ২০০ বিমান চালক বলছেন, করোনাভাইরাস শুরুর পর তারা চাকরি হারিয়েছেন।
এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব বেশি পড়েছে এয়ারবাস এবং বোয়িংয়ের চালকদের ওপর। এ দুটি কোম্পানি বিশ্বের বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং প্রভাবশালী।
এমিরেটসের বিমান, এয়ারবাস A380s অন্তত ৫শ’ যাত্রী নিয়ে চলাচল করে। আর বোয়িং-৭৭৭ ও এর কাছাকাছি সংখক যাত্রী নিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। কিন্তু এখন তাদের যেমন যাত্রীর সংখ্যা কমে এসেছে, তেমনি কমেছে ফ্লাইটের সংখ্যাও। তাই কার্যত অনেক কর্মী বেকার হয়ে পড়েছেন। মাসের পর মাস কাজবিহীন কোনো কর্মীকে বেতনভাতা দিতে রাজি নয় সংস্থাটি। এরই মধ্যে ১ হাজারের বেশি কেবিন ক্রু বলছেন, কর্মস্থলে তাদের করার মতো কোনো কাজ নেই।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা (আইএটিএ) ২৯০টি বিমান সংস্থা পরিচালনা করে থাকে। তারা কিছুদিন আগে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিশ্বের বিমান সংস্থাগুলো এ বছরের শেষ নাগাদ অন্তত ৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতির মুখে পড়বে।
এই সপ্তাহে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, এ বছরের শেষ নাগাদ তাদের ছাঁটাই হওয়া কর্মীর সংখ্যা অন্তত ৩৬ হাজারে গিয়ে ঠেকতে পারে। এর কারণ হিসেবে সংস্থাটি বলছে, আশঙ্কাজনক হারে ফ্লাইট এবং যাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়া। যার জন্য প্রতিদিনই ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোউন-এর নির্বাহী পরিচালক এবং জ্যেষ্ঠ গবেষক হেলেন বেকার বলছেন, ‘এই মহামারি অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে থাকবে। করোনার ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক যাই আসুক যোগাযোগ বিষয়ক ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে বেশ সময় লেগে যাবে।’

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop