স্বাস্থ্য করোনা: গ্রামীণ জনপদে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা নেই

০৬-০৭-২০২০, ০৯:৫৫

আতিকুর রহমান তমাল

fb tw
দেশের গ্রামীণ জনপদে করোনা ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা অনেকটাই কম। এমনকি রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় লকডাউন শেষেও মানুষের মধ্যে সচেতনতার ঘাটতি রয়ে গেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সক্রিয়ভাবে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ইউনিয়নের টান মুসুরি গ্রাম। কয়েকঘর পরিবারের মূল উপার্জন তাবিজের খোল তৈরি। মন্টু মিয়া তাদেরই একজন। আত্মীয়স্বজন মিলে বাড়ির বাইরে বসে; অন্যান্য দিনের মতো তৈরি করছিলেন তাবিজের খোল। কারো মুখেই নেই মাস্ক। অথচ গত দোসরা জুলাই বহুল সংক্রমিত নারায়ণগঞ্জের এই ইউনিয়নে ২১ দিনের লকডাউন শেষ হয়।
সাধারণ মানুষরা জানান, লকডাউন শেষ হওয়ায় আমরা মাস্ক খুলে রেখে দিয়েছি। ওই সময় আমরা বাসা থেকে বের হয়নি।
ওদিকে একই ইউনিয়নের ইছাপুরা বাজারের দৃশ্যই একইরকম। নাতীকে নিয়ে মাস্ক ছাড়াই রহিম মিয়াও ঘুরছেন ইচ্ছেমতো।
বাজারের দোকানগুলোতে নেই সামাজিক দূরত্বের বালাই। ৩৫ হাজার জনগোষ্ঠীর এই ইউনিয়নে শতাধিক করোনা রোগী ছিলেন। লকডাউন বাস্তবায়নের পর রোগী কমে দাঁড়িয়েছে ৮ জনে।
সেই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জের আরও ১৯ টি স্থানকে রেডজোন চিহ্নিত করে গত ২৩ জুন লকডাউন চেয়ে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে এখনও।
এই তালিকারই একটি এলাকা তারাবো ২ নম্বর ওয়ার্ড। লোকজন এখনও জানেন না এই এলাকাটিতে আসতে পারে লকডাউন। তাই ষাটোর্ধ আব্দুল কুদ্দুস বহুদিন থেকে বাজারের দোকানে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই তৈরি করছেন ডালপুরি।
তিনি জানান, চুলার কাছে থাকলে গরমে মাস্ক পরা যায় না।
তবে ভিন্নরকম ব্যাখ্যাও আছে।
এই জনপদের মানুষেরা বলছেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অনেকক্ষেত্রেই কঠিন। যেখানে এক ঘরে অনেকের বসবাস সেখানে নিজ পরিবারে কেউ কোভিড নাইনটিনে আক্রান্ত হলেও দূরত্ব বজায় রাখা অসম্ভব।
একজন নারী জানান, এখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অসম্ভব। রান্না ঘর একটা, বাথরুম একটা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনগণকে শুধু স্বাস্থ্যবিধি মানার পরামর্শ দিলেই হবে না তাদেরকে উদ্বুদ্ধকরণও জরুরি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সাবেক উপদেষ্টা ডা. মোজাম্মেল হক বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত রাষ্ট্র সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে না পারবে; ততক্ষণ পর্যন্ত সরকারের কোন কার্যক্রমই কাজে আসবে না।
গ্রামীণ বাস্তবতায় সরকারিভাবে আইসোলেশেন ও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি করা উচিত বলে মনে করেন স্বাস্থ্যখাতের গবেষকেরা।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ ›

লাইভ অনুষ্ঠান বুলেটিন ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
অনুসদ্ধান
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop