বাংলার সময় বাগেরহাটে ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিক চালু

০৬-০৬-২০২০, ১৫:০৬

আলী আকবর টুটুল

fb tw
বাগেরহাটে ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিক চালু
করোনা পরিস্থিতি ও ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তসহ সকল মৎস্য ঘেরে গিয়ে চিংড়ির রোগ নির্ণয় ও চিংড়ি চাষিদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের জন্য বাগেরহাটে ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিক চালু হয়েছে। বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগ ও পরিচালনায় এই ক্লিনিক চালু করা হয়। 
শনিবার (০৬ জুন) সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলার বৈটপুর গ্রামের মিজানুর রহমান ও হারিদুল ইসলামের মৎস্য ঘেরে গিয়ে পানির গুনাগুণ ও মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা। 
এসময় ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিকের টিম লিডার ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এইচ এম রাকিবুল ইসলাম, মোসা সাবরিনা খাতুন, শরিফু ইসলাম, মোল্লা এনএস মামুন সিদ্দিকিসহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রতিষ্ঠানের চত্বরে বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এএফ এম শফিকুজ্জোহা ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। করোনা পরিস্থিতি ও আম্পান পরবর্তী এই সময়ে যেসব চাষীরা গবেষণা কেন্দ্রে আসতে পারবেন না।তারা নিজের খামারে বসে সেবা নিতে পারবেন। 
যারা সেবা পেতে আগ্রহী তারা ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিকের নির্দিষ্ট নাম্বারে কল দিবেন। সমস্যা জানালে ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিকের সদস্যরা চাষির ঘেরে চলে যাবেন।ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিকের সাথে যোগাযোগের নাম্বার ০১৭১৫-১৪৪৫০৭, ০১৭১১-৪৫০৫০০, ০১৬১৭-৮৯০৫৭১। এদিকে দীর্ঘদিন পরে হলেও বাগেরহাটে ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিক চালু হওয়ায় খুশি হয়েছেন চিংড়ি চাষি ও সংশ্লিষ্টরা। 
চিংড়ি চাষি মিজানুর রহমান ও হারিদুল ইসলাম বলেন, মাছ চাষই আমাদের জীবিকার প্রধান উৎস। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে মাছের রোগ লেগেই আছে। যার ফলে আমরা একটু শঙ্কায় থাকতাম। মাছের রোগ হলে উপজেলা সদর এবং অনেক সময় জেলা সদরেও যেতে হত। যাতে টাকা ও সময় দুটোই নষ্ট হত।
 এছাড়া করোনা পরিস্থিতিতে মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র বা উপজেলা ও জেলা মৎস্য অফিসে যাওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ। বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিক চালু হওয়ায় আমরা আশার আলো দেখছি। ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিকের গাড়িতে মৎস্য বিজ্ঞানীরা আমাদের ঘেরে আসলেন। পানির গুনাগুণ ও মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলেন। প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিলেন। আমাদের খুব ভাল লেগেছে। সারা বছর ধরে এ ধরণের কর্মসূচি চলমান থাকলে চাষিরা উপকৃত হবে। 
ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিকের টিম লিডার ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এইচ এম রাকিবুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতি ও আম্পান পরবর্তী এই সময়ে অনেকে বাড়ি থেকে বের হতে পারেন না।তাই প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হন। এই মুহূর্তে চাষিদের যেসব সেবা প্রয়োজন আমরা সেসব সেবা দিচ্ছি। যে চাষি বাড়ি বসে সেবা পেতে আগ্রহী তারা যদি আমাদের নাম্বারে ফোন দেয়। তাহলে আমরা তার ঘেরে চলে যাব এবং প্রয়োজনীয় সেবা ও পরামর্শ দিব। বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এএফ এম শফিকুজ্জোহা বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে আমরা চাষিদের দোর গোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমান মৎস্য ক্লিনিক চালু করেছি। ৭ সদস্যের এই টিমটি চাষিদের ঘেরে গিয়ে সেবা দিবে। চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও করনীয় সম্পর্কে জানাবেন আমাদের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা। বছর ব্যাপি এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।এর ফলে চাষিরা উপকৃত হবে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop