মহানগর সময় করোনার প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী

০২-০৬-২০২০, ১৬:২০

দেবাশীষ রায়

fb tw
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দেশের সামগ্রিক অবস্থার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতিতেও এসেছে স্থবিরতা। সামনে নতুন অর্থবছরের বাজেট; তাই এরইমধ্যে বসলো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেক এর বৈঠক।
মঙ্গলবার (২ জুন) জরুরি পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ এই নীতিনির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ভিন্ন আঙ্গিকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। গণভবন থেকে এই সভায় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিবসহ বাকি একনেক সদস্যরা শেরে-ই-বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষ থেকেই বৈঠকে অংশ নেন।
গণভবন থেকে বৈঠকের শুরুতেই সূচনা বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বৈরী অবস্থার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রস্তাবনা প্রণয়ন ও বাজেটের কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, ‘যেভাবে নিয়মিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সুপরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছিলো, নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে নানান ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছিলাম। আমাদের অর্থনীতি যে গতিশীলতা পেয়েছিলো, সেখানে বিশ্বব্যাপী করোনার কারণে একটা স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।’
করোনা প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ পুনর্ব্যক্ত করেন সরকার প্রধান।
তিনি বলেন, ‘করোনা মোকাবিলার ব্যাপারে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। আমরা চাই না যে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ কষ্ট পাক। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা চলাচল-কর্মকাণ্ড উন্মুক্ত করেছি। সমাজের প্রত্যেকের জীবনযাত্রা অব্যাহত রাখতে আমরা সব খুলে দেয়ার এই পদক্ষেপ নিয়েছি। সবক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে সবাইকে। যাতে দেশের মানুষকে সুরক্ষিত রাখা যায়। নিজে, নিজের পরিবার, নিজের সহকর্মী সবার সুরক্ষায় আসলে সতর্কতার কোনো বিকল্প নেই।
দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির টানাপোড়েনও উঠে আসে শেখ হাসিনার বক্তব্যে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যেভাবে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছিলো, তাতে করে আমাদের আশা ছিলো, মুজিববর্ষ তথা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মধ্যেই আমরা দারিদ্র্যের হার কমিয়ে দেশকে একটি উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাবো। কিন্তু কোভিড-১৯ এর কারণে অর্থনৈতিক সেই গতিশীলতায় কিছুটা স্থবিরতা এসেছে। আশা করি এই দিন আর থাকবে না; প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করেই আমরা এগিয়ে যেতে পারবো।
পরে, একনেক বৈঠকের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান।
তিনি জানান, ৭ টি মন্ত্রণালয়ের ১০টি প্রকল্পে অনুমোদন দেয়া হয়। এতে নিজস্ব অর্থায়ন ও বিদেশি ঋণ মিলিয়ে মোট ১৬ হাজার ২৭৬ কোটি ৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এ সময়, প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সব হাসপাতালে ‘ঠিকঠাক’ অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন বলেও জানান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
তিনি উল্লেখ করেন, জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতেও পর্যাপ্ত আইসিইউ বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপনে সংশ্লিষ্টদের আরো মনোযোগী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সরকার প্রধান।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop