খেলার সময় 'বাড়ির উঠানে জায়গা কম ছিল, তাই রানআপটাও ছোট'

০১-০৬-২০২০, ০৩:০৩

খেলার সময় ডেস্ক

fb tw
'বাড়ির উঠানে জায়গা কম ছিল, তাই রানআপটাও ছোট'
রানআপ বেশি নিলেও, বোলিংয়ে গতি বাড়ে না, তাই কম রানআপে বোলিং করি। বোলিং অ্যাকশন নিয়ে অনেকে অনেক কথা বললেও, কখনোই মনে হয়নি পরিবর্তনের দরকার আছে। এমনটাই বলছিলেন ভারতীয় পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। 
আইসিসির আয়োজনে ইয়ান বিশপ ও শন পোলকের সঙ্গে ভিডিও আলোচনায় এসব জানান এই পেসার। আউটসুইং-ইনসুইং কিংবা ইয়র্কারে কীভাবে পারদর্শী হয়ে উঠলেন, জানালেন সেসবও। 
লকডাউনে ঘরবন্দী থাকলেও, নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন বুমরাহ। হ্যান্ডশেকে নিষেধাজ্ঞা, দর্শকবিহীন গ্যালারিতে খেলা কিংবা বলে থুতু ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোনই সমস্যা নেই বলে মনে করেন এই পেসার। প্রাণখোলা আড্ডায় উঠে আসলো তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নানা অজানা গল্পও।
বুমরাহ বলেন, সপ্তাহে ছয়দিন বাসায় শরীরচর্চা করছি। চেষ্টা করছি ফিটনেস ঠিকঠাক রাখতে। তারপরও তিন মাস বোলিং না করলে মাঠে নামলে শরীরটা কিভাবে সাড়া দেবে সেটা বুঝতে পারছিনা। আগে তো কখনো এমন পরিস্থিতিতে পড়িনি আমরা কেউই।
'নিজের প্রচেষ্টায় আমি এতদূর এসেছি। টেলিভিশন কিংবা ভিডিও দেখে নিজে নিজে শিখেছি। আমি আসলে ছোটবেলা থেকেই কোন বিশেষ প্রশিক্ষণ পাইনি। ছোটবেলায় টেনিস বলে বোলিং করতাম। তখন সকাল থেকে একদম রাত নামা পর্যন্ত খেলতাম।' বলছিলেন বুমরাহ।
নিজের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বলেন, অনেকে মনে করে আমার হয়তো বোলিং এ্যাকশন চেঞ্জ করা উচিত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমি হালকা পরিবর্তন করেছিও। কিন্তু আমি মনে করি না বিশেষ পরিবর্তনের দরকার আছে। আমার বোলিং এ্যাকশনটা একদমই আলাদা। সবসময় চেষ্টা করতাম আলাদা কিছু করবো। নিজের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আমি সন্তুষ্ট এবং আত্মবিশ্বাসী।
কম রানআপের কারণ বলতে গিয়ে বুমরাহ বলেন, যেহেতু ছোটবেলা থেকে বাড়ির উঠোনে বোলিং করতাম সুতরাং বেশি রানআপ নেয়ার সুযোগ পেতাম না। সে হিসেবেই ছোট রানআপে বোলিং করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। পরে বড় রানআপ নিয়েও দেখেছি, তাতে বোলিংয়ে গতি বাড়েনি। সুতরাং রানআপ বাড়ানোর চিন্তাও করি না।
তিনি বলেন, উইকেটের সহায়তা পেলে বোলিং করা অনেক সহজ হয়ে যায়। দলের জয়ের জন্য তখন বোলারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। উইকেটে কিছু না থাকলে অন্য উপায় বের করতে হয়। ইনসুইং-আউটসুইং নিয়ে অনেক কাজ করেছি। অনুশীলনে প্রতিদিন সুইং নিয়ে কাজ করতাম।

সিনিয়রদের কাছ থেকে সবসময় শেখার চেষ্টা করেন জানিয়ে বুমরাহ বলেন, আইপিএলের মাধ্যমে অনেকের সঙ্গে মেশার সুযোগ পাই। জাতীয় দলে অনেক সিনিয়র পেয়েছিলাম। ওদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনি। মালিঙ্গা অবশ্যই আমার চেয়ে ভালো ইয়র্কার করে। তার সঙ্গে আইপিএলে একসঙ্গে খেলেছি। টেকনিক্যাল কোন বিষয়ে তার সঙ্গে কথা হয়নি। তবে তার অভিজ্ঞতা শুনেছি।
আইপিএলে বুমরাহর প্রথম উইকেট কোহলির। ওয়ানডেতে প্রথম উইকেট স্মিথের, টি-টোয়েন্টিতে ওয়ার্নার আর টেস্টে এবিডিভিলিয়ার্স। সবগুলোই বড় নাম। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি খুব ভাগ্যবান অবশ্যই। তখন অবশ্য এতো কিছু ভাবিনি। দল জেতানোই তখন বড় ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
ফুটবলে ইব্রাহিমোভিচকে তার খুব পছন্দ। ইব্রাহিমোভিচ যে দলে খেলে বুমরাহও সাপোর্ট করেন সেই দলকেই। বর্তমানে তিনি আছেন  এসি মিলানে। আর তাই বুমরাহও সাপোর্ট করছেন সিরিআ'র দলটিকে।
নিজের মায়ের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বুমরাহ বলেন, আমার মা ছিলেন স্কুলের প্রিন্সিপাল। তবে স্কুলে আমি খুব একটা সুবিধা পেতাম না। বরং অসুবিধা হতো। সব রিপোর্ট তার হাতে চলে যেত, কোথায় যাচ্ছি কি করছি সব। সুতরাং আমাকে সবসময় ভালো ছেলে সেজে থাকতে হতো, পড়াশুনা করতে হতো বেশি বেশি। এখনও বাসায় বসে তার কথা শুনতে হয়। যেহেতু আমি রান্না করতে পারি না, মা রান্না করে, সুতরাং যা রান্না করে সেটাই আমাকে খেতে হয়।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop