স্বাস্থ্য নিষিদ্ধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ভারতে ব্যবহারের পক্ষে আইসিএমআর

২৭-০৫-২০২০, ১১:০৮

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক

fb tw
নিষিদ্ধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ভারতে ব্যবহারের পক্ষে আইসিএমআর
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর)।  খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
বুধবার  (২৭ মে) ওয়ার্ল্ডো মিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত  হয়েছেন ১,৫০,৭৯৩ জন, মারা গেছেন ৪,৩৪৯ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৪,২৭৭ জন।
এরইমধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মত প্রকাশ পেয়েছে। 
মঙ্গলবার (২৬ মে) এক বিবৃতিতে আইসিএমআর জানিয়েছে, করোনায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের গবেষণায় বড় ধরনের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সোমবার নিরাপত্তাজনিত কারণে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তার একদিন পরই ভারতের আইসিএমআর সংস্থা থেকে এমন বিবৃতি আসলো। 
ডব্লিউএইচও এর নিয়মিত বিফ্রিংয়ে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের পরীক্ষামূলক ব্যবহার আপাতত বন্ধ রাখতে বলেন সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস।
এ ওষুধটি মূলত ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। করোনাভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনও স্বীকৃত ওষুধ আবিষ্কৃত না হওয়ায় পরীক্ষামূলক হিসেবে এগুলো বিভিন্ন দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে। করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন প্রয়োগ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলছে।
এগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। করোনার চিকিৎসায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন আদৌ কাজ করে কিনা, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা যখন এর উত্তর খুঁজছিলেন তার মধ্যেই ওষুধটি বন্ধ রাখার কথা জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এদিকে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত একদিনের ব্যবধানে দশম স্থান থেকে চর্তুথ স্থানে উঠে এসেছে ভারত।  দৈনিক নতুন আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে সারা পৃথিবীতে এ মুহূর্তে চতুর্থ স্থানে রয়েছে দেশটি।
গত ২৫ মে করোনা সংক্রমণের নিরিখে সারা পৃথিবীতে দশম স্থানে উঠে ভারত। মঙ্গলবারই সারা দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ জন। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্যানুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৫৩৫ জন। অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবারই দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যাটা ছ'হাজারের গণ্ডি স্পর্শ করেছে। 
তথ্য বলছে, গত ২২ মে থেকে শুরু করে টানা পাঁচ দিন ভারতে দৈনিক ছ'হাজারেরও বেশি মানুষের করোনা ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিই করোনা সংক্রমণ ছড়ানো নিয়ে আশঙ্কাটা কয়েক গুণ বাড়িয়ে তুলেছে। দৈনিক নতুন আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে সারা পৃথিবীতে এ মুহূর্তে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে ভারত। 
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, সারাদেশ জুড়েই করোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। তার জেরে স্বাভাবিকভাবেই করোনা রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop