আন্তর্জাতিক সময় লিবিয়ার বিমানঘাঁটির গোপন স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ

২৩-০৫-২০২০, ১৪:০৩

আন্তর্জাতিক সময় ডেস্ক

fb tw
লিবিয়ার বিমানঘাঁটির গোপন স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ
এমনিতেই যুদ্ধে ভারাক্রান্ত লিবিয়া। এর ওপর আবার স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে লিবিয়ার একটি বিমানঘাঁটিতে মিগ-২৯ ফালক্রুম ফাইটার জেট। এ বিমানঘাঁটি রাশিয়ার মিত্র খলিফা হাফতারের বাহিনীর দখলে।
এর আগে খবর প্রকাশিত হয়েছিল যে, ৬টি মিগ-২৯ এবং একজোড়া সু-২৪ ফেন্সার যুদ্ধজেট সাম্প্রতিক হাফতারের লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মিতে (এলএনএ) যুক্ত হয়েছে। 
যদি স্যাটেলাইটের এ ছবি সত্য হয় তবে লিবিয়ার যুদ্ধ আরো তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। এ যুদ্ধ বিমান সেই মুহূর্তে এসেছে যখন হাফতার বাহিনী ও তুরস্কের মধ্যে হুমকি পাল্টা হুমকি চলছে। তুরস্ক লিবিয়ায় জাতিসংঘ স্বীকৃত জাতীয় ঐকমত্যের সরকারকে (জিএনএ) সমর্থন করে।  তুরস্কের সমর্থনে দীর্ঘ যুদ্ধের পরে গত সপ্তাহে ত্রিপোলির দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি কৌশলগত বিমানঘাঁটি উদ্ধার করেছে জিএনএ বাহিনী।
বিদ্রোহী খলিফা হাফতারের দখল থেকে এই ঘাঁটি উদ্ধারের ঘটনা গত প্রায় এক বছরের মধ্যে সরকারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রযাত্রার একটি। রাজধানী থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ওয়াতিয়া বিমানঘাঁটি পূর্ব-ভিত্তিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের অনুগত বাহিনীর পক্ষে কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যিনি এপ্রিল ২০১৯ সালে ত্রিপোলি দখল করতে আক্রমণ চালিয়েছিলেন।
গত ২১ মে অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ক্রাইসিসি টিমের অন্যতম অস্ত্র তদন্ত কর্মকর্তা ব্রিয়ান কাস্টনার টুইটারে একটি স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করেন। যেটি খলিফা হাফতারের নিয়ন্ত্রণে থাকা আল জুফরাহ বিমানঘাঁটি থেকে দুইদিন আগে নেয়া হয়েছিল। লিবিয়ার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এ  ঘাঁটির প্রধান টেক্সিওয়েতে মিগ-২৯ ফালক্রুম ফাইটার জেট দেখা যায়। ওয়ার জুন চেষ্টা করছে এখানে আর কয়টি ফাইটার জেট আছে তার তথ্য সংগ্রহের জন্য।  
ইতিপূর্বে জিএনএ’র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফাতহি বাসাঘা বলেছেন, ‘ছয়টি মিগ-২৯ এবং দুটি সু-২৪ জেট বিমান লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের কোথাও নেমেছে। এগুলো সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার খেমিমিম বিমান ঘাঁটি থেকে লিবিয়ার আকাশ দিয়ে পূর্বাঞ্চলে গেছে।’ 
প্রায় পাঁচ বছর ধরে লিবিয়ায় দুটি সরকার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এদের মধ্যে একটি সরকারকে সমর্থন দিয়েছে জাতিসংঘ ও অন্যান্য দেশ। আরেকটি ফিল্ড মার্শাল হাফতারের নেতৃত্বাধীন। ত্রিপোলির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে জাতিসংঘ। তুরস্ক, ইতালি ও যুক্তরাজ্য এ সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে। আর হাফতার বাহিনীর সমর্থনে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, রাশিয়া, ফ্রান্স, মিসর ও সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন করে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop