মহানগর সময় করোনা আতঙ্কের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কয়েকশ লোকের 'মানববন্ধন'

২২-০৫-২০২০, ২২:৪৮

সময় সংবাদ

fb tw
করোনা আতঙ্কের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কয়েকশ লোকের 'মানববন্ধন'
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে লকডাউন ভেঙ্গে কয়েক'শ লোকের উপস্থিতিতে 'মানববন্ধন' করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনার পর নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মকবুল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরে মানববন্ধনে অংশ নেয়া শতাধিক গ্রামবাসীকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা মৃত লিল মিয়ার ছেলে স্থানীয় লগ্নি ব্যবসায়ী (সুদের ব্যবসা) জাহাঙ্গীর মিয়া (৫০) গত ১৫ মে শুক্রবার রাতে নৃশংসভাবে খুন হন। এ ঘটনায় পর নিহতের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বাদী হয়ে তার স্বামী নিহত জাহাঙ্গীরের ঘনিষ্ঠজন একই গ্রামের মৃত দুদু মিয়ার ছেলে মোতালেব মিয়া (৫০) কে প্রধান আসামি করে নবীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিনই প্রধান আসামি মোতালেবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ব কোনো অনুমতি ছাড়াই দুপুরে নিহতের বাড়ি বাড্ডা এলাকায় হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এলাকাবাসীর ব্যানারে লকডাউন ভেঙ্গে বড় আকারের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েকশত নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ করেন।
ওই মানববন্ধনের সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পাশাপাশি করোনার মধ্যেও মানববন্ধনে এত লোকের গণজমায়েতের কারণে এলাকায় নতুন করে করোনা সংক্রমণের আতংক দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনার পর বিকেলে মানববন্ধনের উদ্যোক্তা এলাকার চার বিশিষ্টজন প্রাক্তন শিক্ষক মোশারফ হোসেন মাস্টার, সাবেক ইউপি সদস্য কামাল মেম্বার, ছলিম উল্লাহ ও সালাউদ্দিন নামের চারজনকে থানায় তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মকবুল হোসেন। এ সময় তারা বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত বলে আখ্যায়িত করে নিজেদের ভুল স্বীকার করেন।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ সম্পর্কে প্রাক্তন শিক্ষক মোশারফ হোসেন মাস্টার বলেন, সার্কেল স্যার আমাদেরকে ডেকেছিলেন। আমরা ভুল স্বীকার করে বলেছি লকডাউনে এভাবে মানববন্ধন করাটা আমাদের ঠিক হয়নি। এখন সার্কেল স্যারের নির্দেশে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে পুরো এলাকা লকডাউন ঘোষণা করে মাইকিং করছেন।
এ ব্যাপারে সলিমগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম বলেন, মানববন্ধনে যারা অংশ নিয়েছিল, সার্কেল স্যারের নির্দেশে এলাকায় মাইকিং করে সেইসব লোকদেরকে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।
নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মকবুল হোসেন বলেন, মামলার প্রধান ও একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তারের পর কেন এই মানববন্ধন করা হলো? এছাড়া সংশ্লিষ্টরা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া চলমান লকডাউনের মধ্যে এভাবে মানববন্ধন করা যায় কিনা? এসব বিষয় জানতে চারজনকে ডেকেছিলাম। পরে তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছেন। এলাকার স্বার্থে চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি।
এ বিষয়ে নবীনগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ মাসুম জানান, ঘটনা জেনেছি। পুরো এলাকা লকডাউন করার জন্যে চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে। পাশাপাশি যারা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছে তারা যেন ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকেন সেটি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop