আন্তর্জাতিক সময় করোনা নিয়ে সুইডেনের যে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি

২২-০৫-২০২০, ১৫:০৭

আন্তর্জাতিক সময় ডেস্ক

fb tw
করোনা নিয়ে সুইডেনের যে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি
মহামারী করোনা ভাইরাস ঠেকাতে যখন বিশ্ব যখন লকডাউনের পথে হেঁটেছে তখন বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হাঁটেনি ইউরোপের দেশ সুইডেন।  অন্যান্য দেশের তুলনায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর ক্ষেত্রে সুইডেনের পদক্ষেপ ছিল ভিন্ন।
কঠোর লকডাউন দেয়নি দেশটি। খোলাখুলি না বললেও ‘হার্ড ইমিউনিটি’ বা জনসংখ্যার বড় একটি অংশের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরির পথে হেঁটেছে সুইডেন। এ পথে হাঁটার পর দেখা গেছে, এপ্রিল শেষে রাজধানী স্টকহোমের মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির পাবলিক হেলথ অথরিটি।
স্টকহোমের মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়ার হার অন্যান্য দেশের মতোই। কঠোর লকডাউনে থাকার পরও ১৪ মে পর্যন্ত স্পেনের ৫ শতাংশ মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। কোনো রোগ প্রতিরোধের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি গড়ে উঠতে হয়।
সুইডেনের প্রধান এপিডেমিওলজিস্ট অ্যান্ডার্স টেগনেল বলেন, যা আশা করা হয়েছিল তার থেকে সংখ্যাটি সামান্য কম, খুব বেশি নয়। জনগণের মধ্যে কী মাত্রায় হার্ড ইমিউনিটি গড়ে উঠেছে তার হিসাব রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুইডেনের পাবলিক হেলথ এজেন্সি। এ জন্য প্রতি সপ্তাহে এক হাজার ১১৮ জনের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা হবে। আট সপ্তাহ ধরে চলবে এ পরীক্ষা। এরপরই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে গড়ে ওঠা হার্ড ইমিউনিটির ফলাফল একত্রে প্রকাশ করবে দেশটি।
নরডিক দেশগুলো যখন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর লকডাউনে ছিল, তখন সুইডেনে স্কুল, রেস্তোরাঁ, বার- সবই খোলা ছিল। তবে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কড়া সরকারি নির্দেশনা ছিল।
সরকারের এ পদক্ষেপকে সুইডেনের অনেক বিশেষজ্ঞ বেশ সমালোচনার দৃষ্টিতে দেখছেন। তারা মনে করেন, এভাবে হার্ড ইমিউনিটির পথে হাঁটার জন্য যথেষ্ট সমর্থন জনগণের মধ্য থেকে ছিল না। যদিও সরকার বলেছে, হার্ড ইমিউনিটির পথে হাঁটা তাদের কৌশল নয়।
হার্ভার্ড টি.এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক মাইকেল মিনা বলেন, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে এখনও কোনো দেশেরই ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ জনসংখ্যার মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি গড়ে ওঠেনি। তবে যত দ্রুত টিকা পাওয়া সম্ভব হবে, তত দ্রুত হার্ড ইমিউনিটি গড়ে উঠবে।
সুইডেনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ১৭২ জন। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ৮৭১ জন। সুস্থ হয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop