বাংলার সময় ‘দেখতেছি দেখতেছি’ বলেই ফোন কাটলেন গাইবান্ধার ডিসি

২২-০৫-২০২০, ১৪:৩৩

হেদায়েতুল ইসলাম বাবু

fb tw
‘দেখতেছি দেখতেছি’ বলেই ফোন কাটলেন গাইবান্ধার ডিসি
জেলা প্রশাসকের জারিকৃত গণবিজ্ঞপ্তি উপেক্ষা করে গাইবান্ধার সবগুলো মার্কেট খোলা রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। মার্কেট খোলার পরপরই হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে শহরে।
এর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে বেচাকেনার শর্তে ব্যবসায়ীদের মার্কেট খোলার সিদ্ধান্ত দেয়ার পর সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করায় গত সোমবার (১৮ মে) বিকেল চারটা থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সব বিপণিবিতান, কাপড়ের দোকান ও মার্কেট বন্ধ রাখতে লিখিত নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন।
জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনা দেয়ার তিনদিনের মাথায় শুক্রবার (২২ মে) আবারো শহরের সব মার্কেট খোলা। সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। সকাল থেকে শহরে মানুষ ঢুকছে দলে দলে।
শহরের ইসলাম প্লাজা, সালিমার সুপারমার্কেট, তরফদার ম্যানশনসহ সবগুলো মার্কেট ও বিপণিবিতানে অজস্র মানুষের ভিড়। কারো মুখে মাস্ক আছে, কারো মুখে নেই। ঠাসাঠাসি ক্রেতার ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।
করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতেও কেন কেনাকাটা করছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে নানা অজুহাত জাহির করেন ক্রেতারা।
সম্প্রতি লকডাউন অমান্য করে ছোট ছোট মুদি ও চায়ের দোকান খোলার অপরাধে গ্রাম শহরের অনেক ব্যবসায়ীকে প্রশাসনের হাতে নাস্তানাবুদ হওয়ার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু জেলা প্রশাসকের নির্দেশ অমান্য করে শহরের বড় বড় মার্কেটগুলো খোলা রাখা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।
তবে শহরের মোড়ে মোড়ে বাঁশের ব্যরিকেড দিয়ে মোটর সাইকেল আটকিয়ে চালকদের সাথে তর্ক-বিতর্কে জড়াতে দেখা যায় পুলিশ সদস্যদের।
মার্কেট খোলা রাখার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে জুতা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও আফজাল সুজ’র সত্ত্বাধিকারী বাবু মিয়া বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠকের পর তার মৌখিক নির্দেশেই তারা আবারো মার্কেট খুলেছেন।
অন্যদিকে জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মকছুদার রহমান শাহান বলেন, গণবিজ্ঞপ্তি জারির পর দোকানের কর্মচারীদের বেতন বোনাসের দাবির মুখে এবং ব্যবসায়ীদের কেনা মালামালগুলো বিক্রির বিষয়টি বিবেচনার জন্য তারা জেলা প্রশাসকের কাছে মৌখিক আবেদন নিয়ে যান। জেলা প্রশাসক তাদের আবেদন শোনার পর কোনো মন্তব্য করেননি। পরে তারা নিজেরাই দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নেন।
এব্যাপারে জানতে জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিনের মুঠোফোনে কল দিলে প্রশ্ন করার পর এক মুহূর্ত চুপ থেকে দেখতেছি, দেখতেছি বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
এদিকে ব্যাপকহারে মানুষের উপস্থিতিতে গাইবান্ধায় আবারো করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফরহাদ আব্দুল্যাহ হারুন বাবলু বলেন, লিখিত নির্দেশ দিয়ে মাইকিং করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়ার পর আবারো কেন মার্কেট খুলে দেয়া হলো তা তিনি জানেন না। এমন কর্মকাণ্ড তাকে হতাশ ও অবাক করেছে। যা করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের সাথে সাংঘর্ষিক।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop