পশ্চিমবঙ্গ ভারতে করোনা রোগীর শরীরে পরীক্ষামূলক ওষুধপ্রয়োগ শুরু

৩০-০৪-২০২০, ১৪:৩৬

সময় সংবাদ

fb tw
ভারতে করোনা রোগীর শরীরে পরীক্ষামূলক ওষুধপ্রয়োগ শুরু
নোভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) শনাক্ত হওয়া রোগীদের ওপর ‘সেপসিভ্যাক’ ওষুধ পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছে ভারতের চণ্ডীগড়ের পোস্ট গ্রাজুয়েট ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল অ্যাডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (পিজিআইএমইআর)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওষুধ হিসেবে প্রয়োগের পাশাপাশি করোনা আক্রান্ত কিন্তু উপসর্গ নেই, এমন রোগীর প্রতিষেধক হিসেবে এটি দেয়া হয়েছে। ওইসব রোগীদের শরীরে যেন উপসর্গ দেখা না দেয়, সে জন্য সেপসিভ্যঅক ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।।
গতকাল বুধবার সংবাদ সংস্থা এএনআইকে এ কথা নিজেই জানিয়েছেন এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত পিজিআইএমইআর-এর গবেষক ড. রাম বিশ্বকর্মা।
তিনি এটি সেপসিভ্যাক একটি ‘ইমিউনোমোডুলেটর’। মানব দেহে প্রয়োগের পর এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এরপর ভাইরাস শরীরে আর সংক্রমিত হতে পারে না। ফলে চিকিৎসায় দ্রুত সাড়া মেলে। মানুষের শরীরে এ ভাইরাস প্রায় একমাস পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। তাই কোনও করোনা আক্রান্ত রোগী সেরে ওঠার পর তার শরীরে যদি এই প্রতিষেধক প্রয়োগ করা যায়, তাহলে ফরে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কোনও ভয় আর থাকবে না।
এ বিষয়ে মোহালির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যাডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের অধ্যাপক ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ড. ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটিকে করোনার প্রতিষেধক বলা বোধহয় ঠিক হবে না। যে ওষুধ শরীরে প্রয়োগের পর নির্দিষ্ট কোনও সংক্রমণ হওয়া থেকে শরীরকে আগাম সুরক্ষা দেয়, তাকেই প্রতিষেধক বলা হয়।
এরই মধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৪ মে থেকে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই কিভাবে চালানো হবে, সে ব্যাপারে নির্দেশিকা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। করোনা-মুক্ত জেলাগুলিতে ওই দিন থেকে আরো বেশি ছাড় দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
এদিকে ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৩৩ হাজার ৬২ জন এবং মারা গেছে এক হাজার ৭৯ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার কমানোর ব্যাপারে গত সপ্তাহেই সেপসিভ্যাক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
ভারতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রাম নেগেটিভ সেপসিস’ ও করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে অনেকটা একই রকমের উপসর্গ দেখা যায়। দু'টি ক্ষেত্রেই কোষের অভ্যন্তরে থাকা ‘সাইটোকাইন’ প্রোটিন অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে।
ফলে মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ভারসাম্য হারিয়ে যায়। উপসর্গের মিলের কথা মাথায় রেখেই করোনা আক্রান্তদের ওপর সেপসিভ্যাক ব্যবহার করা হচ্ছে।
পিজিআইএমইআর-এর পক্ষ থেকে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক রাম বিশ্বকর্মা জানান, আক্রান্ত যেসব রোগীর উপসর্গ নেই, তাদের শরীরে যাতে উপসর্গ আর না দেখা যায়, সেজন্য প্রতিষেধক হিসেবে তাদেরও সেপসিভ্যাক দেয়া হয়েছে। মাস তিনেকের মধ্যে তার ফল জানা যাবে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop