অন্যান্য সময় সন্তান জন্ম দিতে আর্গোনট বাবার মৃত্যু অবধারিত

২৬-০৪-২০২০, ১৬:৪১

অন্যান্য সময় ডেস্ক

fb tw
সন্তান জন্ম দিতে আর্গোনট বাবার মৃত্যু অবধারিত
সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু হয়। এমন কথার সঙ্গে সবাই পরিচিত। তবে হয়তো অনেকেরই এ কথা অজানা যে সন্তানকে পৃথিবীতে আনতে হলে পুরুষ অক্টোপাস প্রজাতির মৃত্যুকে বরণ করে নিতে হয়। অর্থাৎ সন্তানের জন্মই হয় পুরুষ অক্টোপাসের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ত্যাগের মাধ্যমে। গুরুত্বপূর্ণ এই তথ্যটি উঠে এসেছে ন্যাশনান জিওগ্রাফির এক প্রতিবেদনে। সেখানে বলা হয়েছে বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, আর্গোনট মায়েরা বেঁচে থাকে, কিন্তু সন্তানকে পৃথিবীতে আনতে গিয়ে পিতার মৃত্যু অবধারিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষুদ্র পুরুষ আর্গোনট শুক্রাণু ধারণকারী একটি কর্ষিকা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজের প্রায় ৩০ গুণ বড় স্ত্রীর শরীরে প্রবেশ করিয়ে দেয়। সন্তান জন্ম দিতে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ত্যাগের মাধ্যমে পুরুষ অক্টোপাস প্রজাতিটি মৃত্যুকে বরণ করে নিতে হয়।
এই অক্টোপাস প্রজাতিটি গ্রীষ্মপ্রধান ও প্রায় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সমুদ্র অঞ্চলের জলে বসবাস করে। পুরুষ আর্গোনট খুবই ক্ষুদ্র, প্রায় এক ইঞ্চির তিন ভাগের একভাগ থেকেও ছোট। অন্যদিকে স্ত্রী তার চেয়ে প্রায় ৩০ গুণ বড় এবং ৬০০ গুন ভারী। ফলে একজন সঙ্গী খুঁজে বের করা মোটেও সহজ কাজ নয়। স্ত্রী আর্গোনট পৃষ্ঠদেশের দুটি বিশেষ বাহুতে খড়ির মতো পদার্থ লুকিয়ে রাখে। যা দিয়ে লুকিয়ে থাকার মতো পুরু খোলস তৈরি করা, ভেসে থাকা এবং ডিমগুলো সংরক্ষণ করার কার্য সম্পাদন করে। পুরুষটি খোলস তৈরি করতে পারে না। কিন্তু তারও কর্ষিকার মতো একটি বিশেষ বাহু রয়েছে। হেক্টোকোটাইলাস নামের সঙ্গমযোগ্য এ বাহুটি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়।
স্ত্রীর সাথে মিলিত হবার পর পুরুষ আর্গোনট তার হেক্টোকোটাইলাস নিজের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বিচ্ছিন্ন হওয়া অঙ্গটি স্ত্রীর শরীরে কীটের মতো প্রবেশ করে। স্ত্রী আর্গোনট হয়তো তার বহু সঙ্গীর শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া শুক্রাণু সংরক্ষিত কর্ষিকাগুলোকে নিজের দেহে গ্রহণ করবে এবং উপযুক্ত সময়ে ডিমগুলোকে উর্বর করার জন্য এগুলো ব্যবহার করবে। ডিমগুলো স্ত্রীর খোলসের মধ্যে শিকলে আটকানো থাকে। বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, আর্গোনট মায়েরা বেঁচে থাকে, কিন্তু সন্তানকে পৃথিবীতে আনতে গিয়ে পিতার মৃত্যু অবধারিত।
সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে নিজের শরীর থেকে দান করা কর্ষিকাটি জীবদ্দশায় পুরুষ আর্গোনটের শরীরে নতুন করে আর গজাতে দেখা যায় না। শুধুমাত্র মৃত অংশগুলোই খুঁজে পাওয়া যায়। বংশবিস্তার রক্ষায় জীবনের শেষ কীর্তি হিসেবে, ক্ষুদ্র কিন্তু পরাক্রমশালী পুরুষ আর্গোনট একটি বাহু এবং সাথে নিজের জীবনও বিলিয়ে দেয়।
সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফি

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop