মুক্তকথা করোনা পরিস্থিতির ছয় সপ্তাহের চিত্র: সিদ্ধান্ত আপনার

১৯-০৪-২০২০, ০৮:৪১

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
করোনা পরিস্থিতির ছয় সপ্তাহের চিত্র: সিদ্ধান্ত আপনার
সাম্প্রতিক নভেল করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী সংক্রমণের মাধ্যমে মহামারী রুপ নিয়ে পুরো পৃথিবীকে এক বিরাট বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। দ্বিতীয়  বিশ্বযুদ্ধের পরে বিশ্ব এতটা সংকটে কখনো পড়েনি; কোনো সংকটই সারা পৃথিবীর প্রতিটি জীবনকে এতটা প্রভাবান্বিত করতে পারেনি। সারা বিশ্বের চিকিৎসাবিজ্ঞান গবেষণা চালিয়ে এখনও পর্যন্ত করোনার ওষুধ আবিষ্কার করতে পারেনি।
পুরো মানবসভ্যতার অস্তিত্বের এ সংকট শক্তিধর কিংবা দুর্বল, আর্থ-সামাজিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ক্ষমতাধর কিংবা ক্ষমতাহীন সবাই বিপদগ্রস্ত।
যে যতই শক্তিশালী হোক, কিংবা নাজুক সবাই চরম বিপর্যয়ের মুখে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই  কমবেশি আক্রান্ত এই মহামারী- কোভিড-১৯ রোগে। এ মহামারী প্রায় সব রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে নতুন পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়েছে।
এই সেদিন, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯  চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে এক ব্যক্তির দেহ থেকে আজ পুরো পৃথিবীর ১৮৪টি দেশের ২৩ লাখ মানুষকে  আক্রান্ত করেছে এই অপ্রতিরোধ্য ভাইরাস। এ যাবত ১ লাখ ৬০ হাজার তাজা প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই প্রাণঘাতি ভাইরাস।
করোনা সাধারণ ফ্লু ধরনের ভাইরাস। কিন্তু ভাবনার বিষয়-করোনা কেন এত মারাত্মক রুপ নিচ্ছে, যেখানে মৃত্যুর হার কম-বেশি মাত্র ৫% এবং এতগুলো প্রাণ নিয়ে কেড়ে নিল; মাত্র সাড়ে ৩ মাসে এত দ্রুত বিপর্যয় ছড়াল সারা পৃথিবীতে?
দুটি কারণে করোনা ভাইরাস খুবই মারাত্মক-
এক. স্পর্শকাতর ও অতি মাত্রায় সংক্রামক 
দুই. আক্রান্তদের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতা   
মূলত, এই ভাইরাস খুব দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে পারে। ইতোমধ্যে কোভিড-১৯ এ ভুগছে অথবা যাদের ভেতরে জীবাণু ঢুকেছে কিন্তু কোনো উপসর্গ নেই, তাদের সংস্পর্শে থাকলে কেউ সংক্রমিত হতে পারে। এটা কাশির বা হাঁচির সিক্রেশন ড্রপলেট থেকে হাত অথবা মুখ, নাক ও চোখের মধ্য দিয়ে মানুষের শরীরে ঢোকে অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির দ্বারা স্পর্শ করা কোনো বস্তু কেউ স্পর্শ করলে ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারে। কেউ ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ২ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে কোভিড–১৯ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
যদিও পূর্বে বলা হচ্ছিল, এই ভাইরাস বাতাসে ছড়ায় না, সাম্প্রতিককালে ব্রিটেনের জার্নাল ‘The New England Journal of Medicine’ প্রকাশিত গবেষণাপত্র বলছে, হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে ৫ মাইক্রো. মি. এর চেয়ে ক্ষুদ্র ড্রপ্লেটস কোনো বস্তু বা সার্ফেস স্পর্শ করবার আগে প্রায় ৩০ মিনিট বাতাসে ভেসে থাকতে পারে এবং অন্য ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারে। আর, ওই ড্রপ্লেটস অন্য বস্তুর উপরিভাগে স্পর্শ করার পর বস্তুর উপাদান ভিত্তিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জীবিত থাকতে পারে। নতুন এ গবেষণা বলছে- প্লাস্টিক ও স্টিলের উপাদানের বস্তুতে ভাইরাস ৭২ ঘণ্টা এবং কাগজের উপরেও ২৪ ঘণ্টার অধিক সময় জীবিত থাকতে পারে।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে এই উপাদানগুলো- যেমন-স্টিল, প্লাস্টিক, পলিথিন, কাগজ, কাপড়, প্রভৃতি ছাড়া আমাদের জীবন প্রায় অকল্পনীয়। অথচ, এর প্রতিটি উপাদানই ভয়ঙ্করভাবে অজান্তেই লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত করে চলেছে। এ জন্য, শুধু শারীরিক বা সামাজিক দূরত্ব আমাদের নিস্তার দিতে পারছে না।  ইতোমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে, নিজের ঘরের মধ্যেও দৈনন্দিন ব্যবহার্য প্রায় সবই আমাদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ঘড়ি, চশমা, এমনকি মাস্কের অনিরাপদ ব্যবহার আমাদের আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। এই ভাইরাস এতটা সংক্রামক যে, হাত পরিষ্কারে ব্যবহৃত হ্যান্ড স্যানিটাইজার বোতল ও ছিপিও কিন্তু পরিষ্কার রাখা বাঞ্ছনীয়। এজন্যই সর্বাবস্থায় অতীব সতর্ক থাকা ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি।
অন্যদিকে, করোনায় আক্রান্ত হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ সিস্টেম শরীরের স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত শক্তি নিয়ে এই ভাইরাসকে প্রতিহত/আক্রমণ করতে গিয়ে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়ে ফুসফুসের অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। এ জন্য রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।
নিজেদের শরীর ও হাত সর্বদা সব পরিবেশে নিরাপদ রাখা এবং নিয়মিত হাত- মুখ পরিচ্ছন্ন রাখা সহ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।
অথচ, এত ঝুকির মাঝেও এদেশে সামাজিক দূরত্ব রক্ষার মতো সামান্য সাবধানতা অবলম্বন করতে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। বাংলাদেশে ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হবার পর থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগী ২১৪৪ জন, মৃত্যুর সংখ্যা ৮৪ জন। এ দেখে আমাদের খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়তো মনে হচ্ছে না। বোধ জাগছে না।
তাহলে, একটু পরিসংখ্যানে যাওয়া যাক-
প্রথম ছয় সপ্তাহে কয়েকটি উন্নত দেশের চিত্র প্রথম দিকে এমনই ছিল, কিন্তু আজ ভয়াবহ!
           দেশ               প্রথম কেস শনাক্তের তারিখ                      ৬ সপ্তাহে শনাক্ত                       ৬ সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা                             সর্বশেষ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা
                
যুক্তরাষ্ট্র ২২ জানুয়ারি  ১৫৮ জন  ১১ জন  আক্রা:৭৩৪,৮৪৬ ও মৃ:৩৮,৭৭৯ জন
ফ্রান্স ২৪ জানুয়ারি  ৯৪৯  জন   ১৬ জন  আক্রা:১৫১,৭৯৩ ও মৃ: ১৯,৩২৩ জন
জার্মানি ২৭ জানুয়ারি  ১০২২ জন  শূন্য আক্রা:১৪৩,৩৪২ ও মৃ: ৪,৪৫৯ জন
যুক্তরাজ্য ৩১ জানুয়ারি  ৫৯০ জন  ১০ জন  আক্রা:১১৪,২১৭ ও মৃ: ১৫,৪৬৪ জন
ভারত ৩০ জানুয়ারি  ৬২ জন  ১ জন  আক্রা:১৫,৭২২ ও মৃ: ৫২১ জন
বাংলাদেশ ৮ মার্চ  ২১৪৪ জন  ৮৪ জন  আক্রা:২১৪৪ ও মৃ: ৮৪ জন
চিত্র বলছে- এদেশগুলোতে প্রথম ৬ সপ্তাহের পরিস্থিতি আমাদের চেয়ে ঢের ভাল ছিল। কিন্তু, আজ সেই দেশগুলোতে মৃত্যুর মিছিল নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেমন-যুক্তরাষ্ট্রতে এই মার্চের প্রথম দিকেই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল, মাত্র ১০০ থেকে ১৫০। দেড় মাসের ব্যবধানে সেখানে মৃত্যুর সংখ্যাই হয়েছে ৩৮ হাজার। প্রতিদিন ২ থেকে ৩ হাজার লোক প্রাণ হারাচ্ছে বিশ্বের সব চেয়ে ক্ষমতাশালী এই রাষ্ট্রে। সারা পৃথিবীতে এই এপ্রিলের ১ তারিখে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৯ লাখ ৫০ হাজার এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৪৭ হাজার। অথচ মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখে এবং মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ লাখ ৬০ হাজার।
পৃথিবীর যখন এই অবস্থা, তখন বাংলাদেশের মতো ছোট্ট দেশে প্রায় ১৮ কোটি মানুষের ঘনবসতি; যেখানে শুধু রাজধানীতে ৩২৫ ব. মি. এর সামান্য জায়গায় ১ কোটি ৫০ লক্ষাধিক লোকের বাস (প্রতি ব.কি.মি. ৪৫০০০), সেখানে এমন বাস্তবতায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করে ভাইরাস সংক্রমণের হার সহনীয় রাখা সব চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এছাড়া খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা; জনজীবন স্বাভাবিক রাখা; দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখা-সহ নানাবিধ চ্যালেঞ্জ আছে আমাদের। প্রতিনিয়ত সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সামর্থ্যের সর্বোচ্চ টুকু দিয়ে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত মাঠপ্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে সামাজিক নিরাপত্তায় সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।
সরকারের উচ্চ পর্যায়-বিভিন্ন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে শুরু করে ফ্রন্টলাইনার- ডাক্তার ও নার্সসহ পুরো স্বাস্থ্য বিভাগ, মাঠ প্রশাসন, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী-সহ স্থানীয় অন্য সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক নেতা, সংবাদকর্মী-সহ অনেকেই সব নাগরিকের জীবনের সুরক্ষায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাতে কি কাজে আসছে? আমরা কী আদৌ এগুলো মানছি? প্রতিনিয়ত আমরা নিয়ম ভাঙছি।
লক ডাউনের নির্দেশ অমান্য করে এক ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেই লক্ষাধিক লোকের সমাবেশ হয়েছে গতকাল (১৮ এপ্রিল, শনিবার)।
আমরা আসলে কি দেখতে চাই? আমরা কি ভেবে দেখেছি, যখন আমরা সরকারের নিয়মিত আদেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হবো এবং সামাজিক দূরত্ব রক্ষাসহ নিজেদের সেফটির ব্যবস্থা নিশ্চিতকর‍ণ এবং আক্রান্তের সংখ্যার বিস্তার রোধে ব্যর্থ হবো; সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যখন লাখ ধরবে, তখন আমাদের পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হবে? নিত্যপণ্যের দোকান, ওষুধের দোকান মালিকরা নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার জন্যই এক সময়ে সব বন্ধ করে ঘরে বসে থাকবে।
আমরা জানি, ইতোমধ্যে ৫৮ পুলিশ সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন (সূত্র: প্রথম আলো, ১৭ এপ্রিল)। একজন চিকিৎসক কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যেই প্রাণ দিয়েছেন। সিভিল সার্ভিসের (দুদকের পরিচালক) একজন কর্মকর্তা এই রোগে প্রাণ দিয়েছেন। মাঠ প্রশাসনে নিয়োজিত অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী ইতোমধ্যে আক্রান্ত। এভাবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের ফলে অনেক চিকিৎসক, আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী, মাঠ প্রশাসন-সহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে দায়িত্বপালনে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়তে পারে, বা কোয়ারেন্টাইনে বা আইসোলেশনে থাকতে বাধ্য হতে পারে।
আমাদের মাথায় রাখা দরকার সবার কাছেই নিজের জীবন সব চেয়ে প্রিয়। সব নাগরিকের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দিতে যারা রাতদিন পরিশ্রম করছে তাদেরও পরিবার-পরিজন আছে। এই মানুষগুলোর জীবন যখন হুমকিতে পড়তে থাকবে এবং আক্রান্ত হতে থাকবে, আমাদের ভাবতে হবে, আমাদের সব নাগরিকের সুরক্ষায় তখন দায়িত্ব পালনের লোকের বিরাট সংকট দেখা দিবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি যেন না হয়, সে সিদ্ধান্ত আপনার, যে আপনি বাংলাদেশ কে কেমন দেখতে চান।
অধিকন্তু, আমাদের সংকট শুধু সামাজিক দূরত্ব, কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশন নিশ্চিত করা এবং শনাক্তদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা নয়। সবার খাবার নিশ্চিত করা; জনশৃঙ্খলা রক্ষা করা; সামাজিক ও পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; খাদ্য উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা; হতদরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের জন্য খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা; চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ফ্রন্টলাইনের জীবনের ঝুকি নেয়া সহকর্মীদের নিরাপত্তা ও সাহস দেয়া; বাজার স্বাভাবিক রাখা; এবং গুজব বা অপপ্রচার বিষয়ে সচেতন থাকা ও রাখা। এতগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে করোনার মতো মহাসংকট কাটিয়ে ওঠা সরকারের পক্ষে এককভাবে অসম্ভব। এখানে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা দরকার। সরকার সাধ্যমতো সব বিষয়েই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সর্বদা সচেষ্ট আছে। কিন্তু কোনো চেষ্টাই কাজে আসবে না,যদি না আমাদের কাছে নিজেদের ও পরিজনের নিরাপত্তার ভাবনা গুরুত্ববহন করে।
হ্যা, আমরা আশাবাদী জাতি, আমরা নিশ্চয় এই সংকট কাটিয়ে উঠবো। কিন্তু তার আগে আমাদের কতটা মূল্য দিতে হবে, তা নির্ভর করছে কেবল- নাগরিক হিসেবে আমাদের সচেতনতা এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে  দায়িত্ব পালনে আমাদের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতার ওপর। আমরা অন্তত নিজেদের স্বার্থেই নিজেদের যেন নিরাপদে রাখি।
আমাদের সচেতনতা ও সরকারের নির্দেশনা ও পরামর্শগুলো মেনে চলার মধ্য দিয়ে আমাদের সকলের জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।
তাই, বলবো, আসুন, সামাজিক দূরত্ব রেখে মানবিক নৈকট্য ও সৌহার্দ বাড়াবার চেষ্টায় নিয়োজিত থাকি। ঘরে থাকি, সুস্থ থাকি, সুস্থ রাখি।
লেখক:
মাশফাকুর রহমান
উপজেলা নির্বাহী অফিসার
রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালী।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop