শিক্ষা সময় ডাকসু নির্বাচনের এক বছর

১১-০৩-২০২০, ০৮:১৫

শিক্ষা সময় ডেস্ক

fb tw
ডাকসু নির্বাচনের এক বছর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের একবছর পূর্ণ হলো আজ বুধবার (১১ মার্চ)।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত হয় ডাকসু নির্বাচন। অবশেষে নির্বাচন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বেড়ে যায় অধিকার আদায়ে আন্দোলন-সংগ্রামের মনোবল। তবে শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে কতটুকু কাজ করতে পেরেছে এ ছাত্র সংসদ? এমন প্রশ্ন থেকেই যায়। এছাড়া যথাসময়ে নির্বাচন না হওয়ায় প্রশ্নবিদ্ধ ডাকসু নেতারা।
ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, সময়-অসময় বুঝি না। যেটা বুঝতে পারি সেটা হচ্ছে এটা অনেক বড় যজ্ঞ, এখানে সম্মান মর্যাদা ও নিরাপত্তার বিষয় জড়িত। এটাকে নিয়ে আলাপ আলোচনা করে দেখতে হবে।
সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে মেধার বিকাশ ঘটানোর সুযোগ তৈরিতে কিছু কিছু জায়গাতে ডাকসু ভূমিকা রেখেছে বলে অনেকে মনে করেন। এসবের পাশাপাশি কোনও কোনও ক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতার কথাও স্বীকার করেছেন সংগঠনটির নেতারা।
ছাত্র নেতাদের অনেকে বলছেন, দীর্ঘ দিন পর ডাকসু সচল হওয়ায় কিছুটা হলেও পরিবর্তন হয়েছে। এর ধারাবাহিকতা থাকলে সামনে আরও পরিবর্তন আসবে।
শিক্ষার্থীদের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সফলতার পাশাপাশি রয়েছে ব্যর্থতাও।
অনেক চড়াই-উৎরায়ের পার ডাকসু ভিপি হন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা নুরুল হক নূর।
নূর বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সফলতা হলো নির্বাচন হওয়া। এর ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পেরেছে। আগে তাদের সঙ্গে কোনো অন্যায় হলে কারও কাছে বলতে পারতো না, এখন তা পারছে। এখন তারা সমস্যার প্রতিকার পাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ২৮ বছর পর তাদের হারানো অধিকার ফিরে পেয়েছেন। সেটা বন্ধ হতে দেয়া হবে না। সেটি যদি হরণ করার চেষ্টা করা হয় তাহলে আন্দোলন তৈরি হবে।
শিক্ষার্থীদের ভোটের অধিকারের প্রশ্নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি ছাত্র নেতাদের।
ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসাইন বলেন, ভোটের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলবে; প্রশাসনের লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত নেতৃত্বের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে সেটি আমরা কোনো অবস্থাতে কামনা করি না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, নির্বাচিতরা দায়িত্ব নিয়েছে ২৩ ও ২৬ মার্চ। সেটার এক বছর পূর্ণ হওয়ার পরপরই যেনই ডাকসু নির্বাচন হয়।
গত বছরের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন। গঠনতন্ত্র বলছে, এক বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ঠিক করতে নতুন ভোটের তারিখ। এ সময়ের মধ্যে ব্যর্থ হলে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর গত বছরের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় ডাকসু নির্বাচন। ডাকসুর ২৫টি পদের মধ্যে ভিপি পদে কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম নেতা নুরুল হক নূর এবং সমাজসেবা সম্পাদক পদে আইন বিভাগের ছাত্র আকতার হোসেন নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদকসহ বাকি ২৩টি পদে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়। নির্বাচনের পর ২৩ মার্চ দায়িত্ব নেন প্রতিনিধিরা। আগামী ২২ মার্চ তাদের কার্যকাল শেষ হবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ে নতুন ডাকসু নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না করায় গঠনতন্ত্রের ৬ এর ‘গ’ ধারা অনুযায়ী আরও ৯০ দিন এই বডি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop