মহানগর সময় চসিক নির্বাচন: বিদ্রোহীরা না সরলে কঠোর ব্যবস্থা

০৯-০৩-২০২০, ০৯:৪০

কমল দে

fb tw
অবশেষে বহিষ্কার হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী। কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশের পরও নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় তিন দিনের মধ্যে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এ অবস্থায় ভোটের মাঠ থেকে সরে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, মনোনয়ন লড়াইয়ে টিকে থাকারা এখন প্রার্থী হিসেবেই বিবেচিত হবেন।
নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে এখনও অন্তত ৩০টি ওয়ার্ডে রয়ে গেছেন কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। এলাকায় শক্তিশালী অবস্থানের কারণে এদের অনেকেই মূল প্রার্থীর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ অবস্থায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সভায়। বিশেষ করে ৯ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে জহুরুল হক জসীম, ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ডে এফ কবির মানিক, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুল কাদের, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে তারেক সোলেমান সেলিম, ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডে হাসান মুরাদ বিপ্লবের মতো শক্তিশালী প্রার্থীরা এখন বিদ্রোহী প্রার্থীর তালিকায়।
 
নগর আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে আমাদের দলের গঠনতন্ত্রে যা যা ব্যবস্থা আছে তা নেবেন বলে কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে।
নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান জানান, যে কোনো মুহূর্তে স্টেটমেন্ট দিয়ে কোনো প্রার্থীর পক্ষে বা নিজে থেকে সরে যেতে পারেন। তারপরও  যারা শেষ পর্যন্ত থেকে যেতে পারেন, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।  
নির্বাচনী লড়াইয়ে টিকে থাকা বিদ্রোহী প্রার্থীদেরও অভিযোগের শেষ নেই। বিশেষ করে দলীয় প্রধানের কাছে যথাযথ তথ্য দেয়া ছাড়াই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। যার মধ্যে বর্তমানে কাউন্সিলর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এ ধরনের প্রার্থী রয়েছে অন্তত ১৮ জন।
গতকাল রোববার (০৮ মার্চ) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ১ জন মেয়র ৫০ জন সাধারণ কাউন্সিলর এবং ২ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী প্রত্যাহার করেন।
এরমধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন ৪০ জনের বেশি। বর্তমান বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হলেও নির্বাচন কমিশন তাদের প্রার্থী হিসাবেই বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান।
আওয়ামী লীগের একটি অংশের দাবি, শুধু যেসব প্রার্থী দলীয় পদে ছিল তারাই বিদ্রোহী না হয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। আর যাদের তেমন কোনো দলীয় পদ নেই তারাই এখনো প্রার্থী হিসাবে রয়ে গেছেন। এক্ষেত্রে ঢাকার দু’টি সিটি নির্বাচনে বিদ্রোহী হয়েই জিতে আসা ১৫ জন তাদের আশার পথ দেখাচ্ছেন।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop