বাণিজ্য সময় ব্যাংকখাতের অস্থিরতা-অনিশ্চয়তায় মানুষ ঝুঁকছে সঞ্চয়পত্রে

০৭-০৩-২০২০, ০৫:৪৯

হরিপদ সাহা

fb tw
চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রির নিট পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। যার মধ্যে জানুয়ারি মাসেই বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ২৪০ কোটি টাকার বেশি। বিক্রির এ চাপ আরো বাড়বে বলে ধারণা করছে সঞ্চয় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমানতে ৬ শতাংশ সুদহার কার্যকর নিয়ে ব্যাংকখাতের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগের নিরাপত্তায় মানুষ আবার সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকছে।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের পারিবারিক সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে ১১.৫২, পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ৭৬, ৫ বছর মেয়াদিতে ১১.২৮ ও ৩ মাস অন্তর মুনাফায় ১১.০৪ শতাংশ সুদ পাওয়া যায়। যদিও এমন মুনাফা কতদিন পাবেন তা নিয়ে সংশয় আছে গ্রাহকদের।
একজন গ্রাহক বলেন, হাজার সত্তর থেকে পেলাম আমি ৯১২। ৯১২ থেকে এখন পাচ্ছি ৮৬৪ টাকা। এটা থেকেও নাকি কমবে। সঞ্চয়পত্র থেকে যদি এভাবে ইন্টারেস্ট কমে যেতে থাকে তাহলে আমরা কিভাবে চলব।
কয়েক বছর ধরেই সরকার বাজেট ঘাটতি মেটানোর অন্যতম অভ্যন্তরীণ উৎস সঞ্চয়পত্র থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ঋণ নিয়ে আসছিলো। কিন্তু চলতি অর্থবছর মুনাফায় উৎসে কর দ্বিগুণ ও টিআইএন বাধ্যতামূলক করায় বিক্রি ধারাবাহিভাবে কমতে থাকে। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত জুলাই মাসে আসল পরিশোধের পর নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি ছিলো ২ হাজার ২১২ কোটি টাকা, আগস্টে ১ হাজার ৫০০ কোটি, সেপ্টেম্বরে ৯৮৬ কোটি , অক্টোবরে ৮২৩ কোটি নভেম্বরে ৩২১ কোটি এবং ডিসেম্বরে আসল পরিশোধের চেয়ে বিক্রি কম ছিলো ৪০৮ কোটি টাকা । তবে জানুয়ারি মাস থেকেই বাড়ছে সঞ্চয়পত্র বিক্রির চাপ।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক লতিফ মোহাম্মদ হোসেন তৌফিক বলেন, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে যারা বিনিয়োগকারী তারা আবার সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকেছেন। সঞ্চয়পত্র বিক্রিও বেড়েছে। আমাদের ধারনা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। ফেব্রুয়ারি মাসে ৭০ কোটি টাকা বিক্রি হয়েছে। ২০১৯ সালে জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বর-অক্টোবর এই মাসগুলোতে এভারেজে হয়তো ১৫-২০ কোটি টাকা বিক্রি হয়েছে। 
ব্যাংকখাতে মানুষের আস্থার অভাব, পাশাপাশি আমানতের সুদ উল্লেখযোগ্যহারে কমায় তারা আবার সঞ্চয়পত্রমুখী হয়েছে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।
অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, মানুষ মনে করছে আগামিতে হয়তো সঞ্চয়পত্রে সুদের হার আরও কমে যেতে পারে। তারা যদি এখন কিনে রাখেন তাহলে বর্তমানটাই তাদের বলবদ থাকবে যতদিন পর্যন্ত এই সঞ্চয়পত্রটির মেয়াদ থাকে। সেই ধারণা থেকেই সবাই প্রচুর সঞ্চয়পত্র কিনছে।
চলতি অর্থবছর সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ২৭ হাজার কোটি টাকা।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop