বাংলার সময় ৭ বছরেও শুরু হয়নি বগুড়ায় নারকীয় তাণ্ডবের বিচার

০৩-০৩-২০২০, ০৭:৪০

মাজেদুর রহমান

fb tw
সাত বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বগুড়ায় তেসরা মার্চের নারকীয় তাণ্ডবের বিচার কাজ। ওই দিন দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে এমন গুজব ছড়িয়ে জেলার ১২ উপজেলায় নারকীয় তাণ্ডব চালানো হয়। জামায়াত-শিবিরের এই তাণ্ডব থেকে রক্ষা পায়নি সাধারণ মানুষ, দোকানপাট, অফিস-আদালত, থানা, পুলিশ ফাঁড়ি কোন কিছুই। এসব ঘটনায় সবগুলো মামলার চার্জশিট দেয়া হলেও আজও শেষ হয়নি কোন মামলার বিচার কাজ। সরকারি কৌশুলী বলছেন, বিচারক স্বল্পতা, চার্জশিট দিতে দেরি হওয়ায় বিচার কাজ কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে।
দালানকোঠা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষত চিহ্নের দাগ মুছে গেলেও ২০১৩ সালের ৩ মার্চের ভয়াবহতার স্মৃতি এখনো তাড়িয়ে বেড়ায় অনেককেই। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মানবতা বিরোধী অপরাধে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর রায় মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর ৩ মার্চ ভোরে বিভিন্ন মসজিদের মাইকে সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে এমন পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়ানো হয়। এরপর তাকে রক্ষার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা জেলার ১২টি উপজেলায় একযোগে চালায় তাণ্ডব। রাস্তায় গাছ ফেলে বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করে নন্দীগ্রাম, ধূনট,বগুড়া সদর, শিবগঞ্জ, শাহাজানপুর, শেরপুর কাহালু উপজেলা পরিষদ ও থানায় হামলার পাশাপাশি ৬টি পুলিশ ফাঁড়ি, অফিস আদালত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় তারা। সে দিনের ভয়াবহতার কথা মনে হলেই এখনো আঁতকে ওঠেন অনেকে।
ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. আবু সুফিয়ান শফিক বলেন, দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। কোনো দুর্বৃত্তর আজ পর্যন্ত সাজা হয়নি।
মামলার বাদী মো. রেজাউল করিম জিন্নাহ বলেন, ওই ঘটনার কথা আমার এখনও মনে পড়ে। ওই আতঙ্ক কোনোদিন ভুলব না।
উত্তরবঙ্গের সাথে সারাদেশের যোগাযোগ বন্ধ করে কারাবন্দী মাওলানা সাঈদীকে মুক্ত করার ষড়যন্ত্র ছিল দিনটিতে। সে মিশন ব্যর্থ করে দেয় পুলিশ। তবে এমন যড়যন্ত্র আর যাতে না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি এখনও প্রয়োজন বলে মনে করেন তৎকালীন জেলার পুলিশ সুপার।
র‌্যাব-৪-এর পরিচালক ও সাবেক পুলিশ সুপার মো. মোজাম্মেল হক বলেন, যারা এমন কাজ করেছিল তাদের বিরুদ্ধে সঠিক সাক্ষ্য দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মামলার শাস্তি নিশ্চিত করবেন।
মামলাগুলোর চার্জশিট হয়েছে। এখন স্বাক্ষীর পর্যায়ে উঠেছে। মামলা জট এবং বিচারক স্বল্পতার কারণে বিচার কাজে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলে জানান সরকারি কৌশুলী, বগুড়া জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আব্দুল মতিন। তিনি বলেন, চার্জশিট দিতে দেরি হয়েছে। এছাড়া আসামিরা পলাতক থাকায়ও দেরি হয়েছে।
মাওলানা সাইদীকে চাঁদে দেখা সংক্রান্ত নাশকতা এবং এ সংক্রান্ত মামলা হয়েছিল ১০৪ টি। সবগুলো মামলায় ৩ হাজার ২৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়েছে ২০১৬ সালে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop