মহানগর সময় সিলেবাসে নাছির-সুজন-সালাম, প্রশ্নপত্রে রেজাউল!

১৬-০২-২০২০, ১৪:৩৭

কমল দে

fb tw
সিলেবাসে নাছির-সুজন-সালাম, প্রশ্নপত্রে রেজাউল!
অনেকটা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের আদলে হয়ে গেলো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নগরবাসীর নিশ্চিত ছিলেন বর্তমান মেয়র এবং নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছিরই হচ্ছেন পরবর্তী মেয়র। মেয়র হিসাবে কিছু ভুলত্রুটি থাকলেও তা এড়িয়েই আ জ ম নাছির মনোনয়ন পাবেন এমন ধারণা ছিলো সবার।
ধারণা ছিল, কোনো কারণে যদি আ জ ম নাছির বাদ পড়েন তাহলে হয়তো মনোনয়ন দৌড়ে টিকে থাকবেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন কিংবা সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম। যদি তাতেও কাজ না হয় তাহলে হয়তো বা ব্যবসায়ী নেতা হিসাবে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ মাহবুবুল আলমের নাম ছিলো। আশা থেকে বাদ ছিলেন সাবেক কূটনীতিক মেজর অব. এমদাদুল ইসলাম, বিজিএমইএ’র সাবেক নেতা হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তুফান। কিন্তু শনিবার রাতে সব হিসাব উল্টে দিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে গেলেন নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী।  
নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল বলেন, ‘অনেকেই মনোনয়ন চেয়েছে। অনেকেই মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু সব দিক বিবেচনা করেই যোগ্য প্রার্থীকে দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আমরা এখন দলীয় প্রার্থীর হয়েই কাজ করবো।’
মহিউদ্দিন গ্রুপের অনুসারী হিসাবে পরিচিত নগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, ‘রেজাউল করিম চৌধুরী মনোনয়ন পাওয়ার যেমন কিছু কারণ রয়েছে, তেমনি আ জ ম নাছির বাদ পড়ারও কারণ রয়েছে। দলীয় প্রধান ভেবে-চিন্তেই প্রার্থী বাছাই করেছেন।’
মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাদের অনেকেই নিশ্চিত ছিলেন এবার আ জ ম নাছির মনোনয়ন পাচ্ছেন না। প্রভাব-প্রতিপত্তিসহ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নগর আওয়ামী লীগ কয়েকটি ধারায় বিভক্ত। এর মধ্যে প্রয়াত সিটি মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারীদের ধারাটিকে ধরা হয় সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। এর পরের ধারাটি বর্তমান মেয়র এবং নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছিরের। এর বাইরে খোরশেদ আলম সুজন, আবদুচ ছালামসহ অন্যান্য নেতাদের স্বতন্ত্র বলয় রয়েছে। কিন্তু রেজাউল করিম চৌধুরী ছিলেন সব বলয়ের বাইরে। 
তাই মনোনয়ন দৌড়ে নাছিরের পরে খোরশেদ আলম সুজন, আবদুচ ছালাম, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তুফান, ব্যবসায়ী নেতা মাহবুবের নাম বার বার উচ্চারিত হয়েছে। কিন্তু কারো মনে ছিলো না রেজাউল করিমের নাম। শেষ পর্যন্ত মেয়র হিসাবে রেজাউল করিমের নাম নিশ্চিত হওয়ার দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি নগরবাসীর অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। রাতভর গুঞ্জন ছিলো কিভাবে সম্ভব হলো রেজাউল করিমের এই মনোনয়ন।
তবে সৎ এবং বিরোধহীন হিসাবে সুনাম রয়েছে রেজাউল করিমের। মূলত ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে আসেন তিনি। পরে নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হন। এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য চট্টগ্রাম-৮ আসনে মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন তিনি। 
রেজাউল করিম চৌধুরীর মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে এক আওয়ামী লীগ নেতার মন্তব্য ছিল ঠিক এ রকম, ‘রাতভর পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসাবে অনেক প্রশ্নই মুখস্ত করে গেলাম। কিন্তু পরীক্ষার হলে ঢুকে দেখা গেলো শিখে আসা প্রশ্নের কিছুই নেই। অনেকটা সিলেবাসের বাইরের প্রশ্ন। রেজাউল করিম চৌধুরীর ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। আলোচনায় থাকা কেউই মনোনয়ন পায়নি। অনেকটা আড়ালে থাকা প্রার্থীই নিশ্চিত হয়েছেন।’

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop