পশ্চিমবঙ্গ ৪৫তম কলকাতা বইমেলা বঙ্গবন্ধুর নামে উৎসর্গ

১০-০২-২০২০, ০৩:২০

সুব্রত আচার্য

fb tw
৪৫তম কলকাতা বইমেলা বঙ্গবন্ধুর নামে উৎসর্গ
আগামী বছর কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা উৎসর্গ করা হবে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। একইভাবে আগামী বছর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০তম বছরকে শ্রদ্ধা জানাতে বাংলাদেশকে থিম কান্ট্রি করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করল কলকাতা বইমেলার আয়োজক পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্শ গিল্ড। 
রোববার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৪তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলার সমাপ্তি করা হয়। ওই সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালেদ, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, দমকল বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সুজিত বসু, মেলার আয়োজক গিল্ড সভাপতি সুধাংশু দে, সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান ও বিধাননগর পৌরসভার মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী।
সমাপ্তি অনুষ্ঠানের বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালেদ বলেন, আমরা বইমেলা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলাম যে আগামী বছর যেন বঙ্গবন্ধুর জন্ম-শতবর্ষ উপলক্ষে বই মেলাকে যেন বঙ্গবন্ধুর উৎসর্গ করা হয়। সেই অনুরোধে কলকাতা বই মেলা কর্তৃপক্ষ সাড়া দিয়ে আগামী বছর ৪৫তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলার থিম কান্ট্রি করা হচ্ছে বাংলাদেশকে। 
সমাপনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে নেমে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশ আমাদের প্রাণের মধ্যে জায়গা করে আছে। আগামী বছর বাংলাদেশ বইমেলার থিম কান্ট্রি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমরা এই মেলার উদ্বোধনের জন্য আমন্ত্রণ জানাবো।  
এর আগে, রোববার সন্ধ্যায় মেলার এসবিআই অডিটোরিয়ামে প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে চলে বাংলাদেশ দিবসের অনুষ্ঠান। জন্মশতবর্ষে বঙ্গবন্ধু ও সোনার বাংলার স্বপ্নের বাস্তবায়ন শীর্ষক সেমিনারে বাংলাদেশ থেকে আগত ব্যক্তিরা নিজেদের মতো করে বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরেন। 
প্রতিমন্ত্রী কে এম খালেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো স্বপ্ন আজ সবার। বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। সব সূচকেই বাংলাদেশ এখন উর্ধ্বমুখী। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমরা সবাই সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছি। দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ একদিন সবার কাছে দৃষ্টান্ত হবে।
পশ্চিমবঙ্গের প্রতিমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের জন্য আমাদের কাছে, বাঙালিদের কাছে প্রিয় নেতা। সাংসদ ও অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাঙালি নেতা। তার দেখানো পথ ধরে এগিয়ে চলছি আমরা।
সাংসদ অসীম কুমার উকিল বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিলেন খালিদা জিয়ারা। জঙ্গিবাদ বিস্তারের মধ্যদিয়ে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে চেয়েছে স্বাধীনতা বিরোধীরা। কিন্তু সেটা বাস্তবায়ন করতে দেননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার দৃঢ় নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে বাঙালি জাতি গর্বের সঙ্গে এখন মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। 
এছাড়াও সেমিনারের মুল বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় যাদু ঘরের সভাপতি শামসুজ্জামান খান। প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা করেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী, পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ গৌতম ভদ্র, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর এবং কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন টিভি ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারও।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop