স্বাস্থ্য ‘চীন থেকে ১৭১ শিক্ষার্থীকে ফেরানোর উদ্যোগ নেয়া হবে না’

০৮-০২-২০২০, ১৭:৪৪

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক

fb tw
চীন থেকে ফিরতে চাওয়া ১৭১ শিক্ষার্থীকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেবে না সরকার। এমনটাই জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একেএম আবদুল মোমেন।
শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
চীনের কোনো ফ্লাইটে কিংবা ভাড়া করা বিমানে আনা সম্ভব হলে সরকার খরচ বহন করবে বলেও জানান তিনি।
বিকেলে হোটেল সোনারগাঁওয়ে, নন রেসিডেন্ট বাংলাদেশি-এনআরসি আয়োজিত ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজ-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, এর আগে উহান শহর থেকে শিক্ষার্থীদের আনতে যাওয়া বিমানের বিশেষ ফ্লাইটের পাইলট ও ক্রুদের অন্য দেশে প্রবেশের অনুমতি মিলছে না। তাছাড়া, এক্ষেত্রে খরচের পরিমাণও অনেক বেশি ।এ অবস্থায় অন্যদের নিয়ে আসার পরিকল্পনা নেই।
 
এর আগে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের সেবার মান বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। বলেন, তাদের জন্য প্রায় ৫৬টি বিষয়ে সেবা দেয়া হচ্ছে অ্যাপসের মাধ্যমে।
এখন থেকে বিদেশে দক্ষ কর্মী পাঠানোর উপর জোর দেয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর ফলে রেমিটেন্সের পরিমাণ অনেকগুণ বাড়বে।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি চীনের উহান থেকে আসা ৩১২ বাংলাদেশির মধ্যে আশকোনা হজক্যাম্পে থাকা ৩০১ জন সুস্থ আছেন। সিএমএইচে থাকা ১১ জনের অবস্থাও ভালো বলে জানান রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। আজ করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে আইইডিসিআরের নিয়মিত আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
এরইমধ্যে দুই ডজনের বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এতে মৃতের সংখ্যা সাতশ ছাড়িয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন দেশ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।
এদিকে, দেশে ফেরার করুণ আকুতি জানিয়েছেন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত চীনের হুবেই প্রদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি চীনের উহান প্রদেশ থেকে তিন শতাধিক বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে সরকার। তবে হুবেই প্রদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো আটকে আছেন ১৭২ জন বাংলাদেশি নাগরিক। করোনার কারণে এলাকাটিতে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে খাবার, পানিসহ সব সুযোগ সুবিধা। ফলে চরম মানবেতর জীবন-যাপন করতে হচ্ছে তাদের।
চীনে হুবেই প্রদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী দ্বীপায়ন রায় বলেন,  আমরা ঘরের বাইরে যেতে পারি না। আমাদের খাদ্যের সমস্যা, খাবার পানি সমস্যা। মানবেতর জীবনযাপন করছি। এখানে বন্দী অবস্থায় কতদিন থাকব?
বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আটকে পড়া অন্য শিক্ষার্থীদের ইতোমধ্যে স্বদেশে ফিরিয়ে নিয়েছে দেশগুলো। এতে দিনে দিনে তৈরি হচ্ছে ভুতুড়ে পরিবেশ। কিন্তু বার বার যোগাযোগ করা হলেও বাংলাদেশি দূতাবাসের কোনো সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ এ শিক্ষার্থীর।
ওই শিক্ষার্থী আরো বলেন, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। অন্যদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রাণলয় থেকে বলা হচ্ছে দূতাবাস থেকে যোগাযোগ করতে। আমাদের পরিবার হয়রানির শিকার হচ্ছে, আমরাও এখানে হয়রানি শিকার হচ্ছি। আমরা দেশে ফিরে যেতে চাই। প্রাণে বাঁচার আকুল  আবেদন জানান তারা।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop