স্বাস্থ্য ‘বিশ্বের সব দেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে’

০৮-০২-২০২০, ১৬:১৭

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক

fb tw
‘বিশ্বের সব দেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে’
চীন ছাড়াও বিশ্বের সব দেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে আইইডিসিআরের নিয়মিত আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
আইইডিসিআরের এ কর্মকর্তা বলেন, নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে এতদিন শুধু চীন থেকে আসা ব্যক্তিদের পরীক্ষা করা হলেও এখন তার পরিসর বাড়ানো হচ্ছে। বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে কেউ বাংলাদেশে ঢুকলে বন্দরে ‘স্ক্রিনিংয়ের মধ্য দিয়ে তাদের যেতে হবে, এক্ষেত্রে সবাইকে একটু ধৈর্য ধরতে হবে।  
সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, আসলে চীন এবং আরও কয়েকটি দেশের যাত্রীদের এ স্ক্রিনিং কার্যক্রমে আনলেই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু আমরা অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে এটা চালু করেছি। এটা সব দেশের ফ্লাইটের ক্ষেত্রেই শুরু হয়েছে। তবে এটা নিয়ে ভীত হওয়ার কিছু নেই। এটা বাড়তি সতর্কতা।
আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, শুক্রবার থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কতদিন চলবে তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাংলাদেশের সব বন্দরে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং করার সক্ষমতা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আছে কি না- এ প্রশ্নে অধ্যাপক ফ্লোরা বলেন, বিভিন্ন এয়ারলাইন্স, বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতায় এ কাজটি করা হচ্ছে। এয়ারলাইন্সগুলোর সহযোগিতা নেয়া হচ্ছে। ফ্লাইটের মধ্যে যে ডিক্লেয়ারেশন ফর্ম দেয়া হয়, তাতে এয়ারলাইন্সগুলো সহায়তা করে। আমরা সম্মিলিতভাবেই করছি। এখানে এয়ারলাইন্সগুলোর সহযোগিতা খুবই জরুরি। যে বন্দরে থার্মাল স্ক্যানার নেই, সেখানে আমরা হ্যান্ডহেল্ড স্ক্যানার দেয়া হয়েছে। থার্মাল স্ক্যানার এবং হাত দিয়ে যেটা করা হয়- দুটোর কার্যক্রম একই।
চীন থেকে কেউ জ্বর না নিয়ে এলেও আসার ১৪ দিনের মধ্যে যদি কারও জ্বর আসে, তাহলে তাদের আইইডিসিআরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শনিবার সকাল পর্যন্ত ৮ হাজার ৪৮৪ জনকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করলেও কারও দেহে করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়নি।
চীনের উহান থেকে আসা ৩১২ বাংলাদেশির মধ্যে আশকোনা হজক্যাম্পে থাকা ৩০১ জনের সবাই সুস্থ আছেন। সিএমএইচে থাকা ১১ জনের অবস্থাও ভালো বলে জানান অধ্যাপক ফ্লোরা।
করোনাভাইরাস আতঙ্কে ঢাকায় মাস্ক ব্যবহার বেড়ে গেলেও সবার জন্য প্রয়োজন এখনই নয়--এ কথা জানিয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, রোগী এবং রোগীকে যারা সেবা করবেন তারা ছাড়া আর কারও মাস্ক ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজন নেই।
চীনে অনেকে মাস্ক ব্যবহার করে ঘুরছেন। এর কারণ চীনে অনেকে আক্রান্ত বিধায় এই রোগ অন্যের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি, কোনো ভাইরাসের উপস্থিতি মেলেনি। এ কারণে মাস্ক পরার কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানান তিনি।
এরইমধ্যে দুই ডজনের বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এতে মৃতের সংখ্যা সাতশ ছাড়িয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন দেশ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop