স্বাস্থ্য দেশে মাস্কের দাম ১৭৫০ টাকা!

০৫-০২-২০২০, ১৪:২৩

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক

fb tw
দেশে মাস্কের দাম ১৭৫০ টাকা!
করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে ফেসমাস্কের দাম। সচেতন নাগরিক হিসেবে সারাদেশে সবাই এখন মাস্ক ব্যবহার করছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ১০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা পর্যন্ত মাস্কের দাম থাকলেও, এখন ১৭৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে এক একটি মাস্কের দাম।
রাস্তায়, ফুটপাতে, বিভিন্ন অনলাইন শপে মাস্ক বিক্রি হলেও সংকট দেখা দিয়েছে ফার্মেসিগুলোতে। এ কারণে একটি সিন্ডিকেট মাস্কের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
রাজধানীর অধিকাংশ ফার্মেসি ও সার্জিক্যাল স্টোরগুলোতে প্রায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে মাস্কের সরবরাহ বন্ধ। যে দু’একটি ফার্মেসিতে ফেসমাস্ক পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোও বিক্রি হচ্ছে চার থেকে পাঁচগুণ বেশি দামে। ফুটপাতে কিছু ভ্রাম্যমাণ দোকানে নিম্নমানের মাস্ক পাওয়া গেলেও সেগুলোরও দাম রাখা হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি।
সরেজমিনে গিয়ে কয়েকটি ফার্মেসিতে মাস্কের দাম ১০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া গেলেও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে। সাধারণত চীন বা জাপান থেকে বাংলাদেশে মাস্ক আসে। তবে বেশ কয়েকটি অনলাইন শপ চীন থেকে শাওমি ব্র্যান্ডের কিছু মাস্ক নিয়ে আসছে, যা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ১৭৫০ টাকায়।
ফার্মেসিতে ১০ টাকা থেকে তুলনামূলক উন্নত (ডিস্পোজেবল নন ওভেন ফ্যাব্রিক) মাস্কের দাম ২৫ টাকা। কটন মাস্ক বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, স্পঞ্জ অ্যান্টি ডাস্ট মাস্ক ৫০ টাকায় কিনছেন ক্রেতারা।
তবে এন-৯৫ (৮২১০) মাস্ক ২৫০ টাকা, এন-৯৫ (৮১১০এস) ১৮০ টাকা, পিএম-২.৫ মাউথ মাস্ক ১২০ টাকা কিনতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
চীন থেকে শাওমি ব্র্যান্ডের যে মাস্ক আনা হচ্ছে, সেগুলোর দাম যথাক্রমে এয়ারপপ থ্রি-সিক্সটি ডিগ্রি অ্যান্টি ফগ মাস্ক ৩৫০ টাকা, স্মার্টলি ফিল্টার মাস্ক ৪৫০ টাকা, শাওমি পিএম-২.৫ লাইট ওয়েট মাস্ক বিক্রি হচ্ছে ১৭৫০ টাকয়।
বিভিন্ন অনলাইন শপের স্বত্বাধিকারীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে বা ফুটপাতে যে মাস্কগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো উন্নত নয়। এ ছাড়া ফার্মেসিতে যে মাস্কগুলো পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর চেয়ে স্টাইলিশ ও বাতাস ফিল্টারে কার্যকরী শাওমির মাস্কগুলো। গ্রাহকদের কাছে এগুলোর চাহিদাও বেশি।
শাহবাগ মেডিকেল কর্নারের বিক্রেতা সুমন বলেন, ৫০ পিসের বক্সের দাম এখন ৫শ টাকা। আগে ছিল একবক্স ৭০ টাকা। ফিল্টার মাস্ক ৭০ টাকা। যেটা আগে ৩৫ টাকা ছিল। অর্থাৎ ডাবলেরও ডাবল। গত ১৫ দিন ধরে সাপ্লাই বন্ধ।
পপুলার মেডিসিন কর্নারের স্বত্বাধিকারী শরিফুল বলেন, প্রায় এক যুগ ধরে ব্যবসা করছি। মাস্কের এমন সংকট আর কখনো দেখিনি। দেশে ফেস মাস্কের চাহিদা বছর জুড়ে থাকে। সেটা এখন হঠাৎ করে কয়েক লাখে পৌঁছেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজার থেকে মাস্ক উধাও হয়ে গেছে। তাছাড়া চীন থেকে তো কোনো পন্য এখন আমাদের দেশে আসছে না বরং যাচ্ছে।
এদিকে, রাজধানীর বিভিন্ন ফুটপাতগুলোতে ভ্রাম্যমান দোকানগুলোতে কিছু নিম্নমানের মাস্ক দেখা গেলেও সেগুলোর দামও রাখা হচ্ছে কয়েকগুন বেশি।
এ বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মাস্কের ক্রাইসিস এখনো ওভাবে দেখা যায়নি। এ বিষয়ে আমাদের ডিজি মহোদয় ইতোমধ্যে দেশে মাস্ক প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোকে বলেছেন। যারা মাস্ক আমদানি করে তাদেরকেও বিভিন্ন দেশ থেকে মাস্ক আমদানি করার কথা বলা হয়েছে। আশা করছি এই সংকট বেশিদিন থাকবে না।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop