পশ্চিমবঙ্গ এনআরসি-সিএএ বিরোধীদের ওপর গুলি, নিহত ২

২৯-০১-২০২০, ১৭:১২

কলকাতা ব্যুরো

fb tw
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: ছবি: সংগৃহীত।
ভারতের সংশোধীত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-সমাবেশে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন নারী শিশুসহ আরো ২৫ জন।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী থেকে আনুমানিক আড়াইশো কিলোমিটার দূরে মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি থানার সাহেনগর এলাকায় বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নিহত দুজন ব্যাক্তি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।
বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বিজেপি এই ঘটনার সুষ্টু তদন্তের দাবি করেছে। অভিযোগ উঠছে, নিহত দুজন গুলিতে মারা গিয়েছেন।
মুর্শিদাবাদ হাসপাতাল সূত্রের বলা হচ্ছে, নিহতদের শরীরের আঘাত বিস্ফোরক জনিত মৃত্যু।  তবে ময়না তদন্তের আগে চূড়ান্ত ভাবে কিছু বলতে চাননি সরকারি চিকিৎসকরা। রাজ্য পুলিশ গুলিতে মৃত্যু হওয়ার খবর অস্বীকার করেছে। পুলিশ এই ঘটনাটি বোমা বিস্ফোরকের মৃত্যু বলে দাবি করেছে।
স্থানীয় নব জাগরণ নামের একটি সংগঠন মূলত সিএএ বিরোধী প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছিল। অভিযোগ উঠেছে, ওই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে গিয়ে স্থানীয় তৃণমূলের কয়েকজন নেতা বাধা দেন। প্রথমে ধাক্কাধাক্কি হয় এবং পরে সেটা ভয়াবহ সংঘর্ষে রুপ নেয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই সময় বৃষ্টির মতো গুলি এবং বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। পুলিশ সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছালে পরিস্থিতি আরো নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। পুলিশও কাদানে গ্যাস ছোড়ে।
প্রায় দেড় ঘন্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ঘটনাস্থল থেকে একজনের মৃতদেহ এবং চার জনকে গুরুত্বর আহত ব্যক্তিকে পুলিশ উদ্ধার করে। সন্ধ্যার আগে হাসপাতালে আরো একজন হাসপাতালে মারা যান।
নিহতরা হচ্ছেন, আনারুল শেখ, মনিরুল শেখ। আহতদের মধ্যে দুজন গুলিবিদ্ধ বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে এই ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে বলে দাবি করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাম-কংগ্রেস নেতৃত্ব। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেছেন, রাজ্যে মনে হচ্ছে কোনও সরকারের শাসন নেই। ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের শান্তির দাবি করেন প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা।
সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিম বলেন, বিজেপি এবং তৃণমূল প্রায় এক। এই রাজ্যে মোদীর বিরুদ্ধে কোনও প্রতিবাদ হলে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করতে দেন না। মুর্শিদাবাদের ঘটনা সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখালো। মুর্শিদাবাদের ঘটনা বিজেপি পুরোপুরি তৃণমূলের অভ্যন্তরিন ঝামেলা বলে দাবি করেছে একই সঙ্গে বিজেপি আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে মমতার প্রশাসনের সমালোচনা করেছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, রাজ্যে আইনের শাসন নেই। রাজ্যে কোনও গণতন্ত্র নেই। পুলিশ তৃণমূলের ক্যাডার হয়ে কাজ করছে। 
প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বর মাসে ভারতের সংশোধীত নাগরিকত্ব বিলটি আইনে রুপান্তরিত হয়। ওই আইনে ভারতের প্রতিবেশী বাংলাদেশ,পাকিস্তান,আফগানিস্তানের অমুসলিমরা ভারতের শনার্থী হিসাবে নাগরিকত্ব পাবেন। এই আইনের বিরোধীতায় এক মাস জুড়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের জেলায় জেলায় বিক্ষোভ অব্যহত রয়েছে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop