মহানগর সময় সিডিএ’র ব্যর্থতায় পতেঙ্গা সৈকত যাচ্ছে বেসরকারি খাতে

২৭-০১-২০২০, ০৪:২৯

কমল দে

fb tw
নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তদারকি করতে না পারায় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ১০ কিলোমিটার সৈকত এলাকাকে দুইটি জোনে ভাগ করে টেন্ডারের মাধ্যমে দায়িত্ব দেয়া হবে দু'টি অপারেটর প্রতিষ্ঠানকে। চুক্তি অনুযায়ী তাদের এ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যেখানে সি ক্রুজের মতো ওয়াটার রাইডের পাশাপাশি ব্যবস্থা থাকবে, থাকবে ক্যাবল কার এবং টয় ট্রেন।
আড়াই হাজার কোটি টাকা খরচ করে শেষ হতে যাওয়া আউটার রিং রোডের বিশাল একটি অংশ জুড়ে রয়েছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের অবস্থান। এর মধ্যে সড়কের অংশ হিসাবে পতেঙ্গায় তিন স্তরের একটি পর্যটন স্পট'ও তৈরি হয়ে গেছে। যার আকর্ষণে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক ছুটে আসে এখানে। কিন্তু সিডিএ'র নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সৈকতের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব না হওয়ায় পুরো দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে বেসরকারি খাতে।
সিডিএ'র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, একটা প্ল্যান ডিজাইন করা হয়েছে। আর কাজগুলো অপারেটররা করবে দুই জোনে, জোন টু'তে হবে ওয়াটার রিলেটেড স্ট্রাকচার, থিম পার্ক, হোটেল থাকবে।
নৌ বাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টের পার্শ্ববর্তী অংশ থেকে সাড়ে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রথম জোন এবং সেখান থেকে ইপিজেডের পেছনের অংশ হবে দ্বিতীয় জোন। প্রথম জোন থেকে দ্বিতীয় জোনে যাওয়ার পথে দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে টয় ট্রেন এবং ক্যাবল কার। ওয়াটার ক্রুজে যাওয়ার জন্য থাকবে দর্শনীয় দু'টি জেটি। একাধিক থিম পার্কের ব্যবস্থাও থাকবে এখানে। দর্শনার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা প্রবেশমূল্য থেকে একটি অংশ পাবে সিডিএ।
স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন বিকেলে ১০ থেকে ১৫ হাজার দর্শনার্থীর ভিড় জমে এই সৈকতে। আর বন্ধের দিন কিংবা যে কোনো উৎসবে তা লাখ ছাড়িয়ে যায়। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় দর্শনার্থীর বেশিরভাগই সাধারণ মানুষ। এ অবস্থায় বিশাল সৈকত এলাকাকে বাণিজ্যকরণ করা হলে সাধারণ মানুষের বিনোদন বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে বলে অভিমত অনেকের।
সিডিএ'র পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের উপ প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশ বলেন, সিডিএ'র এতো জনবল নেই। এ কারণে এটা দেখবাল করা যাচ্ছে না। আমরা চাচ্ছি, একটা বেসরকারি খাতে দেওয়ার।
চট্টগ্রাম পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এবিএম আবু নোমান বলেন, যদি এটি প্রাইভেট খাতে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে বেশি মুনাফার জন্য তারা সেখানে স্থাপনা তৈরি করবে। এতে বদ্ধ বা আবদ্ধ বিষয়ের মতো হয়ে যাবে তাহলে জনগণের বিনোদনের যে অধিকার সেটি বিনষ্ট হবে।
সিডিএ'র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসেই টেন্ডার আহ্বানের পাশাপাশি আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে শেষ হবে পুরো প্রকল্পের কাজ। দু'টি প্রতিষ্ঠানের সাথে সৈকত ব্যবস্থাপনায় সিডিএ'র চুক্তি হবে ২৫ বছরের।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop