বাংলার সময়পুলিশের উপস্থিতিতে ‘ধর্ষণ মামলার’ সাক্ষীকে পেটালো সন্ত্রাসীরা

২১-০১-২০২০, ১৮:১৭

বাংলার সময় ডেস্ক

fb tw
পুলিশের উপস্থিতিতে ‘ধর্ষণ মামলার’ সাক্ষীকে পেটালো সন্ত্রাসীরা
পাবনায় পুলিশের কাছে মামলার সাক্ষ্য দিতে গিয়ে আসামির সহযোগী সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছেন এক যুবক। পরিবারের অভিযোগ, হামলার সময় তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও ভুক্তভোগীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেননি। সিসিটিভি ফুটেজে হামলার সময় পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দেখা গেলেও বিষয়টি আকস্মিক দাবি করে, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা পুলিশ। 
শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা সাতচল্লিশ মিনিট। সদরের গাছপাড়া এলাকার একটি দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে নীল রঙের ব্লেজার পরিহিত অবস্থায় সদর থানার পরিদর্শক খাইরুল ইসলাম এক সঙ্গীর সাথে দ্রুত চলে যাচ্ছেন। ঠিক তখনই একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী আব্দুল আলীম নামে যুবককে লোহার রড, হকিস্টিক দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে। প্রকাশ্যে পিটিয়ে তারা চলে যায়।
আব্দুল আলীমের অভিযোগ, মালিগাছা ইউনিয়নের একটি ধর্ষণ মামলার তদন্তের বিষয়ে কথা বলতে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে ডেকে নেন সদর থানার ওসি তদন্ত খাইরুল ইসলাম।
ভুক্তভোগী আব্দুল আলীম বলেন, ওসি আমাকে ধর্ষণ মামলার তদন্তের বিষয়ে কথা বলার জন্য ফোন করে ডাকে। তখন আমি ওসিকে বলি, আপনি গাছপাড়া আসেন এখানে বসেই আমরা কথা বলবো। তারপর আমরা গাছপাড়ায় যাই। এবং ওসি সেখানে বসেই ৫ জন সাক্ষীর নাম লিখে নেয়। যখন ৬ নম্বর সাক্ষীর নাম লিখতেছে, তখনই একদল লোক এসে আমার ওপর হামলা চালায়। কিন্তু ওসি সেখানে থেকে নীরবে সরে যায়। আর ওরা আমাকে মারতে থাকে। 
ভুক্তভোগীর এক স্বজন বলেন, বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বলে গেছে, যে আমি পুলিশের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। কোন সমস্যা হলে পুলিশই আমাকে সাহায্য করবে।
ভুক্তভোগীর মা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমরা ছেলে তো কোন দোষ করেনি। তাহলে আমার ছেলেকে কেন এভাবে মরল। আমি এর সঠিক বিচার চাই। 
পুলিশসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও মানবাধিকার কর্মীরা।
মানবাধিকার কর্মী মুজতাবা আব্দুল আহাদ বলেন, পুলিশ তো রাষ্ট্রের একটা অংশ। তাদের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের নিরাপত্তা দেয়ার। তিনি সঠিক ভাবে যদি দায়িত্ব পালন না করে থাকেন। তাহলে অবশ্যই এটা বিভাগীয় ভাবে তদন্ত করতে হবে। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
হামলার ঘটনাকে আকস্মিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত দাবি করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
পাবনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, ঘটনার পর থেকেই আসামি গ্রেফতারের ব্যাপারে আমাদের তৎপরতা ছিল। ঘটনার রাতেই আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছি।
এ ঘটনায় আলীমের স্ত্রী রুমা খাতুন বাদী হয়ে দশ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন। এদের মধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

‘টিভির সাউন্ড না কমানোয় হাত-পা বেঁধে হত্যা করেছি’ সৎ মায়ের স্বীকারোক্তিপ্রথম শ্রেণিতে কোটা বাতিল জাতির সঙ্গে প্রতারণা: ভিপি নূরপর্তুগালে প্রবাসী বাংলাদেশি দুই পক্ষের সংঘর্ষক্যান্সার নির্ণয়ে আমেরিকার আধিপত্য ভাঙলো ইরান
সময় সংবাদের লেখক হতে পারেন আপনিও। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো ঘটনা, ভ্রমণ অভিজ্ঞতা, ক্যাম্পাসের খবর, তথ্যপ্রযুক্তি, বিনোদন, শিল্প-সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়ে লেখা পাঠান: somoytvweb@gmail.com ই-মেইলে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop