স্বাস্থ্য ওজন কমানোর ভুল ও সঠিক পদ্ধতি

২১-০১-২০২০, ১৪:০৯

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক

fb tw
বাংলাদেশে প্রায় ২০ শতাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ এবং প্রায় সাড়ে ৪ শতাংশ শিশু স্থূলতা বা ওবেসিটিতে ভুগছে। সেই হিসাবে দেখা যাচ্ছে স্থূলতা বাংলাদেশে এক রকম মহামারি আকার ধারণ করছে। আর এই স্থূলতার কারণে ডায়াবেটিস, অল্প বয়সে ব্লাড প্রেসার, হার্টের সমস্যাসহ নানা রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আর এই স্থূলতা কমানোর জন্য মানুষ বিভিন্ন রকম চেষ্টা করছে।
ওজন কমাতে গিয়ে অনেকে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে। কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অনেক সময় ভিন্ন ভিন্ন রকম সমস্যার জন্ম দিচ্ছে।
ওজন কমানোর কিছু ভুল ও সঠিক পদ্ধতি-
১। না খেয়ে থাকা:
অনেকের ধারনা না খেয়ে থাকলে শরীরের ওজন কমে যায়। যেখানে ৩ বেলা খাওয়ার কথা সেখানে ২ বেলা খেলেই হবে। যারা এই ধারনা নিয়ে আছেন তারা খুব ভুল করছেন। খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকলে শরীরে খাবার পাকপ্রণালীর ক্ষমতা কমে যায়। যদি কেউ এক বেলা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকেন তাহলে এটাই স্বাভাবিক, সে পরের বেলা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খাবার গ্রহণ করবে। অথচ শরীর ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন তিন বেলা খাবার খাওয়া জরুরি। যদি কেউ ওজন কমানোর চেষ্টা করেন তাহলে তাকেও তিন বেলা খাবার খেতে হবে। তবে প্রতি বেলায় খাবারের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কম করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে কম ক্যালোরি যুক্ত খাবার বেছে নিতে হবে।
২। ডায়েট ফুড ওজন কমায়:
যারা ওজন কমাতে চান তাদের অনেকেরই ডায়েট কোল্ড ড্রিংক, সুগার ফ্রি খাবার কিংবা লো ফ্যাট খাবারের প্রতি আকর্ষণ আছে। যেসব খাবার আর্টিফিশিয়াল সুগার ব্যবহার করা হয় সেগুলো পরিহার করাই ভালো। কারণ আর্টিফিশিয়াল সুগারে যেসব ক্ষতিকর উপকরণ থাকে সেগুলো কিডনির জন্য ক্ষতিকর। এছাড়াও নিয়মিত এইধরনের খাবার খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
৩। ব্যায়াম, হাঁটা:
ওজন কমাতে হলে যেমন ডায়েট করা প্রয়োজন তেমনি দরকার ব্যায়ামের। ডায়েট অর্থই খাবারের তালিকায় কাটছাঁট করা। অথচ তালিকা থেকে আমাদের প্রিয় খাবারগুলো বাদ দেওয়া কঠিনই। যাই হোক, আমরা ব্যায়ামের মাধ্যমে ক্যালরি নিঃশেষ করতে পারি। আমরা নিয়মিত ব্যায়াম করে শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় মেদ ঝরিয়ে ফেলতে পারি। আর এটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। কেননা নিয়মিত মাত্র ৩০ মিনিট স্বাভাবিকের চেয়ে একটু গতিতে হাঁটলে শরীরের ওজন কমাতে দারুণ সহায়ক হবে। শুধু তা-ই নয়, ব্যায়ামে অন্য উপকার তো আছেই। ব্যায়াম সুস্থ হৃদপিণ্ডের যেমন নিশ্চয়তা দেয়, তেমনি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া মানসিক সুস্থতাও আনে।
৪। হজমের সমস্যা:
হজমের সমস্যা থাকলে শরীরের ওজন কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। তাই তেল, মশলাদার খাবার-দাবার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রামেও। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বাড়বে হজমের সমস্যা। ফলে শরীরে জমবে অতিরিক্ত মেদ। বাড়বে ‘ওয়াটার ওয়েট’।
ওজন যা আছে তার থেকে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কমাতে পারি তাহলে বুঝতে হবে আমরা সাকসেসফুল। আর যদি খেয়ে বা ব্যায়াম করেও ওজন কমাতে না পারি তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলেও যদি ওজন না কমে তাহলে সার্জারিতে চলে যেতে হবে।
পরামর্শদাতা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop