বাণিজ্য সময় চীনা পণ্যের আগ্রাসনে বন্ধের পথে ঢাকার লাইট কারখানা

১৫-০১-২০২০, ১৩:১৩

বাণিজ্য সময় ডেস্ক

fb tw
চীনা পণ্যের আগ্রাসনে বন্ধের পথে ঢাকার লাইট কারখানা
একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরান ঢাকার লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা। ছোটখাটো কারখানা যারা টিকে আছে তারাও খুব একটা ভালো নেই। চীনা পণ্যের আগ্রাসনে অর্ডার কম। 
বড় পুঁজি না থাকায় বিদেশি পণ্যের সঙ্গে পাল্লা-দিয়ে টিকে থাকতে আধুনিক প্রযুক্তি কারখানাও গড়ে তুলতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। শিল্প মালিক সমিতি বলছে, সম্ভাবনাময় এ খাত ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজন সরকারের দীর্ঘ মেয়াদি নীতি সহায়তা। 
সারাদেশে প্রায় ৪০ হাজার শিল্প ইউনিটের মধ্যে সূত্রাপুর, লালবাগ, কোতোয়ালি, ওয়ারীসহ পুরান ঢাকার আশপাশের এলাকায় অবস্থান ৫ থেকে ৬ হাজার ছোট মাঝারি হালকা প্রকৌশল কারখানা। গেল কয়েক বছরে এসব এলাকার অনেক ছোট কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আমদানি করা পণ্যের দাপটে টিকে থাকতে হিমসিম খাচ্ছে দেশীয় শিল্প।
অথচ হালকা প্রকৌশল কারখানাগুলো বছরের পর বছর আমদানির বিকল্প যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ উৎপাদন করে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করেছে। তেমন কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া যোগ করেছে নতুন আবিষ্কারও। এখন বাজার সয়লাব আমদানি পণ্যে। পাল্লা দেয়ার মত আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রে বিনিয়োগের মূলধন নেই বেশিরভাগ কারখানার। তারওপর মরার ওপর খাঁড়ার ঘা কাঁচামালে মূল্য সংযোজন কর।
একজন বলেন, আগে আমরা তৈরি করতাম। এখন তা বিদেশ থেকে আসছে। তাই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
আরেকজন বলেন, ৫০% কারখানা কোন ভাবে লক্ষে ঝক্ষে চলছে। এ ফলে কারখানাগুলো বন্ধের পথে। 
এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী ২০২০ সালের প্রডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করেছেন লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পজাত পণ্যকে। শিল্পমালিক সমিতি বলছে, শিল্প মন্ত্রণালয় তাদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করছে। শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে শিল্প সুরক্ষায় এই উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। দেশেই তৈরি করা যায় এমন যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আনা বন্ধ করা না গেলে ছোট কারখানা আরো বন্ধ হয়ে যাবে।
বাংলাদেশ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের এখানে যদি সরকার সেই ধরনের বিনিয়োগ না করে। তা হলে তো চলবে না। শুধু সুযোগ দিলেই হবে না, অবকাঠামো উন্নয়ন সহ সুদ ছাড়া লোন দিতে হবে। এবং বিদেশ থেকে উন্নত প্রযুক্ত আমদানি করার সুযোগ দিতে হবে।
হালকা প্রকৌশল শিল্পের অভ্যন্তরীণ বাজার অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকার। শিল্পে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৬ লাখ লোকের।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop