বাংলার সময় মোংলায় বিনামূল্যের বই বিতরণে টাকা নেয়ার অভিযোগ

০৬-০১-২০২০, ২১:৪৫

মাহমুদ হাসান

fb tw
মোংলায় বিনামূল্যের বই বিতরণে টাকা নেয়ার অভিযোগ
মোংলার বৈদ্দ্যমারী দক্ষিণ হলদিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যের বই বিতরণ ও নতুন শ্রেণিতে ভর্তিতে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্কুলে শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে এবং নতুন বই বিতরণে ২০০ করে টাকা নিচ্ছেন শিক্ষকরা। আর এতে অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে শিক্ষকদের অনিয়মের এ সকল তথ্য পাওয়া গেছে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন বছরের ১ জানুয়ারিতে উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন শ্রেণিতে ভর্তি ও বিনামূল্যের বই বিতরণ শুরু হয়। অন্য সব স্কুলের ন্যায় মোংলার বৈদ্দ্যমারী দক্ষিণ হলদিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই নিয়মে ভর্তি ও বই বিতরণের কথা থাকলেও উল্টো পথে এগুচ্ছে স্কুলটির শিক্ষকরা। নতুন শ্রেণিতে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১০০ করে ভর্তি ফি আদায় করা হচ্ছে। আর বই নেয়ার ক্ষেত্রেও নেয়া হচ্ছে আরও ১০০ টাকা। 
ওই স্কুলের ৪র্থ শ্রেণিতে ভর্তি ও বই নিতে আসা এক শিক্ষার্থীর মা জানান, টাকা ছাড়া বই দেয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থীরা নতুন বই নিতে এসে টাকা না দিতে পেরে মন খারাপ করে চলে যাচ্ছে। তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া আরেক শিক্ষার্থীর মা জানান, শিক্ষকরা বিভিন্ন পন্থায় অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে। ছেলের বাবা নেই, অভারের সংসার তাই টাকা দিতে না পারায় বই আনতে পারছে না। 
সরকারের নিদের্শনা, ১ জানুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রথম দু’দিন শিক্ষার্থী শূন্য ছিল স্কুলটি। গত ২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টায় স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ঘুরেও কোনো শিক্ষার্থীর দেখা মেলেনি। স্কুলের দ্বিতীয় তলায় উঠতেই প্রথমে প্রধান শিক্ষিকের অফিস কক্ষে বই নিতে আসা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এক সহকারী শিক্ষকের টাকা গ্রহণের দৃশ্য প্রকাশ্যে চোখে পড়ে। এছাড়া স্কুলটির ৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ৪ জনই উপস্থিতি ছিলেন না। দুপুরের দিকে স্কুলে আসেন অন্য শিক্ষকরা। 
এ সময় স্কুলে আসেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মিহির মণ্ডল। তার কাছে টাকা নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।
এদিকে জানতে চাইলে নতুন শ্রেণিতে ভর্তি ও বই বিতরণে ২০০ টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চারুলতা মণ্ডল। তবে বই বিতারণের সময়ই বাৎসরিক পিকনিকের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেয়ার কথা স্বীকার করেন। আর নতুন শ্রেণিতে ভর্তি ফি নেয়া হয় না বলেও দাবি তার। 
তবে কবে নাগাদ বাৎসরিক পিকনিক আয়োজন করা হবে সেই সময়সীমা এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি বলেও জানান প্রধান শিক্ষক। 
এ প্রসঙ্গে মোংলা উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (এটিও) গুরুদাস বিশ্বাস জানান, সরকারি বিধান অনুযায়ী বিনামূল্যের বই বিতরণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার কোনো নিয়ম নেই। এছাড়া নতুন শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রেও কোনো টাকা গ্রহণ করা যাবে না। যদি কোনো স্কুলের শিক্ষকরা টাকা পয়সা লেনদেন করে থাকেন তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop