বাণিজ্য সময় দুবাইয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের ক্রেতা এখন বাংলাদেশিরা

২৮-১০-২০১৯, ০৫:৫৩

হরিপদ সাহা

fb tw
দুবাইয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের ক্রেতা এখন বাংলাদেশিরা
দুবাইসহ বিশ্বের নামীদামি শহরে কোটি কোটি টাকা দামের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্টের ক্রেতা এখন বাংলাদেশিরা। সরেজমিনে প্রকল্প দেখতে ক্রেতারা পাচ্ছেন বিনা খরচে সেসব দেশ ঘুরে আসার লোভনীয় সুযোগ। বাংলাদেশ ব্যাংক এ ধরনের বিনিয়োগকে মুদ্রাপাচার হিসেবে তুলে ধরলেও খোদ রাজধানী ঢাকার এক মেলায় দেখা মেলে এমন এক বিদেশি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের স্টল।
দেশের আবাসন ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদেশে এখানকার ক্রেতারা এমন বিনিয়োগ করলে স্থানীয় আবাসন বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই। সেখানকার চকচকে সুউচ্চ সব ভবন আর আলো ঝলমলে শহরগুলো এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধনীদের টানছে বিনিয়োগে। মূলত কর ফাঁকিতে জমানো অপ্রদর্শিত অর্থ, কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ নিচ্ছেন অনেকে। বাংলাদেশিরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই, তা টের পাওয়া গেল সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক মেলায়। দুবাইভিত্তিক বিলাসবহুল আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন, রিসোর্ট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান দামাক ক্রেতা খুঁজতে অংশ নিয়েছে এ মেলায়। তিন দিনে ৪ থেকে ১৭ কোটি টাকার অ্যাপার্টমেন্ট, রিসোর্টের অংশ, বাণিজ্যিক স্পেস কিনতে যোগাযোগ করে অনেকেই।
বিক্রেতারা জানান, ৩ দিনে এ মেলায় ৩০ কাস্টমার এসেছেন। তাদের অ্যাড্রেস ফোন নম্বর আমরা রেখে দিয়েছি। তারা মূলত জানতে চায়, দুবাইয়ের কোন সিটিতে রয়েছে। সেই সঙ্গে কী কী সুযোগ সুবিধা রয়েছে এবং সেখানে স্থায়ীভাবে থাকা যাবে কি-না?
এক সম্ভাব্য ক্রেতা জানান, দুবাই এমন একটা দেশ, যেখানে সোশ্যাল একটা সিকিউরিটির বিষয় রয়েছে। এজন্য চিন্তা করা। উনারা বাংলাদেশে প্রথমবার এসেছে।
দামাকের দুবাই থেকে আসা প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে বাংলাদেশের এজেন্ট বাধা দিয়ে জানান, দুবাইয়ের ফ্ল্যাট বিক্রি করতে নয়, বরং বাংলাদেশে দামাক বিনিয়োগ করবে।
দামাকের বাংলাদেশের এজেন্টরা জানান, ওরা এতো সুন্দরভাবে ওদের প্রজেক্ট করে। আমাদের পূর্বাচল উন্নত হচ্ছে, মালয়েশিয়া তারা এর রকম প্রজেক্ট করছে; এ প্রজেক্ট বাংলাদেশে আনা যায় কি-না? এরপর তাদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করব।
তবে স্টলে বাংলাদেশের কোনো প্রকল্পের তথ্য নেই কেন সে-প্রশ্ন করলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এ এজেন্ট।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক বিনিয়োগ নীতিমালায় রফতানি বাণিজ্য আছে এমন প্রতিষ্ঠান বার্ষিক রফতানির একটি অংশ অনুমোদন সাপেক্ষে বিনিয়োগের সুযোগ পেলেও সেকেন্ড হোমের জন্য বাড়ি, ফ্ল্যাট কেনার সুযোগ রাখা হয়নি।
বাংলাদেশের ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন,  বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন না নিয়ে যদি কেউ এ রকম আবাসন শিল্প বা এ জাতীয় কোনো শিল্পে বিনিয়োগ করেন তাহলে সেটা পুরোপুরি মানি লন্ডারিং ট্রিট হবে।
রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, বিয়েল স্টেটের মার্কেটে যদি বড় কোম্পানি এসে যদি মার্কেটিং করেন এবং আমাদের এ টাকা যদি বিদেশে নিয়ে যায়, তাহলে আমাদের মার্কেট ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
দেশে জিডিপির আকারের তুলনায় অর্ধেকেরও বেশি অপ্রদর্শিত অর্থ আছে বলে মনে করা হয়, দফায় দফায় সুযোগ দিলেও যা মূলধারার অর্থনীতিতে তেমন একটা আসছে না বলে জানান আবাসন ব্যবসায়ীরা।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop