মহানগর সময় জয়নালের বাসাই যেন এনআইডি উইংয়ের কার্যালয়

১৮-০৯-২০১৯, ০৯:২২

কমল দে

fb tw
চট্টগ্রামে নির্বাচন কমিশনের কর্মচারী জয়নাল আবেদীন তার বাসাকেই এনআইডি উইংয়ের অলিখিত কার্যালয় বানিয়ে রেখেছিলেন। প্রতি শুক্র ও শনিবার ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওয়েব ক্যাম, ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং সিগনেচার প্যাডসহ নানা ডিভাইস ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের এনআইডি সার্ভারে অন্তর্ভুক্ত করা হতো। এ ছাড়া এনআইডি উইংয়ের সবগুলো জেলা এবং উপজেলার সার্ভারে ঢোকার পাসওয়ার্ড জানতেন জয়নাল আবেদীনের সহযোগী সাগর।
নির্বাচন কমিশনের অফিস সহায়ক জয়নাল আবেদীনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কিংবা উদ্ধার ল্যাপটপকে এক কথায় এনআইডি উইংয়ের ছোট-খাট সার্ভারই বলা চলে। গুরুত্বপূর্ণ নানা ডাটা মুছে ফেলার পরও পাওয়া গেল বিপুল সংখ্যক এনআইডি কার্ডের ছবি এবং ৫১ রোহিঙ্গার যাবতীয় তথ্য।
পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসছে শুক্র ও শনিবার সরকারি বন্ধের দিনগুলোতে তার আন্দরকিল্লার বাসায় রোহিঙ্গাদের এনে অফ লাইনে তথ্য সংগ্রহ করা হতো। এরপর সেগুলো পাঠিয়ে দেয়া হতো ঢাকায় অবস্থানকারী এ চক্রের সদস্য সত্য এবং সাগরের কাছে।
তারাই পরবর্তীতে এনআইডি কার্ড প্রস্তুত করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দিতো। প্রতিটি কার্ডের জন্য তারা রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে আদায় করতো ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা।
সিএমপি কোতোয়ালি থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে ইনপুট করতে পারে এ রকম চক্র মেইলের মাধ্যমে তথ্যগুলো দিত। আর ঢাকার চক্র এনআইডি কার্ড তৈরি করে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে চট্টগ্রামে পাঠাতো।’
গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে ঢাকা থেকে আসা নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। মূলত এ দলের তৎপরতায় বের হয়ে আসছে রোহিঙ্গাদের এনআইডির রহস্য।
এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন থেকে দু’টি ল্যাপটপ হারিয়ে যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে এ তদন্ত কমিটি। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের অতি গুরুত্বপূর্ণ এনআইডি উইংয়ের সবগুলো জেলা এবং উপজেলার সার্ভারে ঢোকার পাসওয়ার্ড জানতো জয়নাল আবেদীনের সহযোগী সাগর।
জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ উপ-পরিচালক ইকবাল হোসেন বলেন, ‘যে ডিভাইসগুলো ভোটার নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন সেই ডিভাইসের পুরো সেট তাদের কাছে আছে।’
নির্বাচন কমিশনের ল্যাপটপ হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন সিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান।
গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে পাসপোর্ট করানোর জন্য এনআইডি কার্ড নিতে এসে আটক হয় লাকী আকতার এবং নজির আহমেদ নামে এক রোহিঙ্গা দম্পত্তি। এ ঘটনার অনুসন্ধান করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইংয়ে প্রথম পর্যায়ে ৭৩ জন রোহিঙ্গার অস্থিত্ব ধরা পড়ে।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop