বাণিজ্য সময় চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজের পরিমাণ বেড়েছে কয়েকগুণ

০৩-০৪-২০১৯, ১৩:৩৫

কমল দে

fb tw
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে ভোগ্যপণ্যের আমদানি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ আসার পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিনই বন্দর ও বহির্নোঙ্গরে আসছে পণ্যবাহী একশ'র বেশি জাহাজ। বিশেষ করে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে সব ধরণের ভোগ্য পণ্যের দাম কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ অবস্থায় বন্দরে জাহাজ এবং পণ্যজট এড়াতে দ্রুত পণ্য খালাসের ব্যবস্থা নিতে ব্যবসায়ীদের চিঠি দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম বন্দরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বন্দরের প্রধান জেটি এবং বর্হিনোঙ্গরে গড়ে একশ'র বেশি জাহাজ অবস্থান করছে। শুধু বর্হিনোঙ্গরে রয়েছে ৭২টি জাহাজ। এর মধ্যে পণ্য খালাসরত ৫২টি জাহাজের অধিকাংশ'ই ভোগ্যপণ্যবাহী। এর বাইরে খাদ্য পণ্যবাহী জাহাজ রয়েছে ৭টি।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, 'বর্তমানে কোন জাহাজ জট নেই এবং কন্টেইনার জটও নেই। বর্তমানে যেসকল খাদ্যপণ্যবাহী কন্টেইনার রয়েছে সেগুলো আমরা দ্রুত ডেলিভারি দিচ্ছি।'
মূলত বাংলাদেশের ভোগ্যপণ্যের বাজার পুরোপরি আমদানি নির্ভর। আর রমজান ও বাজেটের আগে আমদানির পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সে অনুযায়ী গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই দেশে চলতি বছরের রমজানের ভোগ্যপণ্য আসতে শুরু করে। কিন্তু এবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, চিনি, ছোলা এবং ডালের মতো সব ধরণের ভোগ্যপণ্যের বুকিং রেট মণ প্রতি ১০০ ডলারের বেশি কমে গেছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়েছেন দেশের আমদানিকারকরা।
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, রমজানে যেন কোন কৃত্রিম সঙ্কট না হয়, সেদিকে আমরা সবাই দৃষ্টি রাখবো।
সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাচ্চু বলেন, মূল্য চড়া করার প্রবণতা থাকে তাহলে বাজার অস্থিতিশীল হবে সেক্ষেত্রে ভোগ্যপণ্যগুলো যত দ্রুত সম্ভব দ্রুত খালাস করার ব্যবস্থা করা উচিত।
এদিকে নতুন ৬টি গ্যান্টিক্রেন লাগিয়ে বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। যে কারণে জাহাজ আসার পরিমাণ বাড়লেও জাহাজ জটের তেমন কোনো শঙ্কা নেই বলে দাবি বন্দর কর্মকর্তাদের।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট এসোসিয়েশন সভাপতি আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, কোন জাহাজ কিন্তু গড় অবস্থান দুই বা তিন দিনের বেশি নাই চট্টগ্রাম বন্দরে। সুতরাং পণ্য খালাসও সেরকমভাবে হচ্ছে।  
দেশে রমজান মাসে ৭০ থেকে ৮০ হাজার মেট্রিক টন ছোলা, আড়াই লাখ মেট্রিক টন চিনি এবং সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টন ভোজ্য তেলের চাহিদা রয়েছে। যার পুরোটাই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop