বাণিজ্য সময় জেনে নিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং হলে কী করবেন গ্রাহক

১৮-০৮-২০১৮, ১৫:২০

বাণিজ্য সময় ডেস্ক

fb tw
জেনে নিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং হলে কী করবেন গ্রাহক
বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে যে কোন সময় হতে পারে সাইবার হামলা, তাই আগে থেকেই সতর্ক জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সব ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়েছে সতর্কবার্তা। বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হয়ে যাওয়ার পর থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সাইবার হ্যাকারদের নজর পড়েছে। তাই নিরাপত্তা আরো জোরদারের ব্যবস্থা চলছে। 
সম্প্রতি ভারতের পুনেতে কসমস ব্যাংক থেকে হ্যাকিং-এর মাধ্যমে ৯৪ কোটি রুপি লোপাটের ঘটনার পর বাংলাদেশ ব্যাংক এই পদক্ষেপ নিল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষক সাদিয়া নূর খান মনে করেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কারণ আছে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং সিস্টেম হ্যাকারদের জন্য একটি লোভনীয় জায়গা বলে তিনি উল্লেখ করেন। সাদিয়া নূর খান জানালেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের পেমেন্ট সিস্টেমে ঢোকার জন্য হ্যাকাররা ক্রমাগত চেষ্টা করছে।
কোন ব্যাংকে সাইবার হামলার মাধ্যমে গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি কি করতে পারেন? কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং ব্যাংকিং বিশ্লেষকরা যেসব পরামর্শ দিচ্ছেন সেগুলো হচ্ছে:
১.কোন গ্রাহক যদি লক্ষ্য করেন যে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের অজান্তে টাকা তুলে নেয়া হয়েছে তাহলে তাৎক্ষনিকভাবে সেটি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।
২.অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন হলে সাধারণত গ্রাহকের মোবাইলে দ্রুত একটি বার্তা আসে। এতে যদি দেখা যায় যে গ্রাহক লেনদেন না করলেও টাকা উত্তোলনের বার্তা এসেছে তাহলে তাৎক্ষনিকভাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে
৩.ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে না নিলে দ্রুত বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ করা যেতে পারে
৪.ব্যাংকে সাইবার নিরাপত্তার ঘাটতির কারণে গ্রাহক বঞ্চিত হলে ব্যাংক সে টাকা ফেরত দিতে বাধ্য। গত বছর একটি ব্যাংকের এটিএম বুথে কার্ড জালিয়াতির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের পুরো টাকা ফিরিয়ে দিয়েছিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকের দুর্বলতার কারণে যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকের পাশে থাকে।
৫.গ্রাহকের ডেবিট কার্ড এবং ক্রেটিড কার্ড-এর পাসওয়ার্ড সর্বোচ্চ সতর্কতা এবং গোপনীয়তার সাথে রাখতে হবে।
৬.গ্রাহকের অসতর্কতার কারণে কোন ক্ষতি হলে ব্যাংক সে দায় নেবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষক সাদিয়া নূর খান বলেন, সাইবার সিকিউরিটি বিপন্ন হবার ক্ষেত্রে সবসময় ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা যাবেনা। এক্ষেত্রে গ্রাহকদের সচেতনতাও একটি বড় বিষয়। একজন গ্রাহক যাতে তার অনলাইন ব্যাংকিং তথ্য কারো নিকট প্রকাশ না করেন সে বিষয়ে তাদের সচেতন করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
৭.কর্মকর্তারা বলেছেন, গ্রাহকের ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের তথ্য কারো কাছে প্রকাশ না করা উত্তম।
৮.ফেসবুক বা ইমেইলে অপরিচিত কোন ব্যক্তির পাঠানো অ্যাটাচমেন্ট ক্লিক না করাই উত্তম। এতে গ্রাহকের মোবাইল ফোন সেট কিংবা কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং হ্যাকাররা সেটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে।
সাইবার জালিয়াতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিলো সারা বিশ্বের ব্যাংকগুলোতে। 
সূত্র: বিবিসি 

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop