বাণিজ্য সময় ঝুঁকির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর

২৮-০৭-২০১৮, ০৯:১৭

কমল দে

fb tw
শেড এবং ইয়ার্ডে কন্টেইনার খুলে পণ্য ডেলিভারি দেয়ার প্রক্রিয়ার কারণে ঝুঁকির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। পণ্য ডেলিভারি নিতে বন্দরে ঢুকছে ছয় হাজারের বেশি ট্রাক এবং কাভার্ড ভ্যান। এসব যানবাহনের সঙ্গে বন্দরে প্রবেশ করে ১৫ হাজারের বেশি ড্রাইভার ও হেলপার। এ কারণে বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা যেমন হুমকির মধ্যে পড়ছে, তেমনি অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের জন্য সৃষ্টি হচ্ছে অসহনীয় যানজটের। এ অবস্থায় ডেলিভারি প্রক্রিয়া বন্দর থেকে সরিয়ে নেয়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।
বিশ্বের উন্নত কোনো বন্দরে এমন নজির না থাকলেও চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শেড এবং ইয়ার্ডে কন্টেইনার খুলে পণ্য ডেলিভারি দেয়া হয়। আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে ৩৭ ধরণের আইটেম খালাস হয় প্রাইভেট আইসিটিগুলোতে। এর বাইরে বেশ কিছু পণ্য রয়েছে যেগুলো বন্দরের অভ্যন্তর থেকেই ডেলিভারি নিচ্ছে আমদানিকারকরা। বিশেষ করে বন্দরের ১৯টি ইয়ার্ডে ফুল কন্টেইনার রুট, এফেলসি কন্টেইনার এবং ১০টি ইয়ার্ডে লুস কন্টেইনার, এলসি কন্টেইনার লুসের পণ্য ডেলিভারি দেয়া হয়। এসব পণ্য পরিবহনের জন্য বন্দরে ঢুকছে ১৫ হাজারের বেশি পরিবহন শ্রমিক।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সদস্য মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন, 'আমরা চাচ্ছি যে, ডেলিভারিটা বাইরে হোক। আমাদের মূল কাজ হচ্ছে লোডিং, আনলোডিং এবং ডেলিভারি আমরা কন্টেইনার হিসেবে দিয়ে দিতে পারি।
শুধু যে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে তা নয়, সে সঙ্গে বন্দরের আশপাশের এলাকায়  হচ্ছে তীব্র যানজট। বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ২ হাজারের বেশি রপ্তানিযোগ্য কন্টেইনার যেমন লরির মাধ্যমে বন্দরে প্রবেশ করে তেমনি আমদানি পণ্য নিয়ে বের হয়ে আসে আরো কয়েক হাজার ট্রাক এবং কাভার্ড ভ্যান। আর এসব ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের অবস্থান থাকে বন্দর হয়ে ইপিজেড এবং নিমতলী এলাকায়।
চট্টগ্রাম বন্দর বার্থ পক অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ফজলে একরাম বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর থেকে যদি বন্ডেড একটা এরিয়াতে স্থানান্তর করা যায়, যেখানে বন্দরের নিজস্ব সিকিউরিটি থাকবে সেটা ভালো হয়।'
এ অবস্থায় বন্দরের অভ্যন্তরে কন্টেইনার থেকে পণ্য ডেলিভারি প্রক্রিয়া সরিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ড এসোসিয়েশন পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, 'আমরা অলরেডি বন্দরের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর যে মুখ্যসচিব তাকেও প্রস্তাবনা দিয়েছি।'
গত অর্থবছরের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ২৮ লাখ ৮ হাজার টিএস কন্টেইনার হেন্ডেলিং করেছে। এছাড়া কার্গো হেন্ডেলিং করেছে ৯ কোটি ২৯ লাখ মেট্রিক টন।  

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop