বাংলার সময় স্বজনের কাছে যেতে চায় মেয়েরা, কিন্তু কেউ নেয় না!

১৬-০৭-২০১৮, ০৩:১৫

মাজেদুর রহমান

fb tw
মেয়েদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগাতে বগুড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র’। এক’শ নারীর জন্য তৈরি করা আবাসিক এই প্রতিষ্ঠানে গত চার বছর ধরে রয়েছে মাত্র ১৬ জন কিশোরী।
রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলার জন্য একমাত্র এই পুনর্বাসন কেন্দ্রের অবকাঠামো জনবল সবকিছু ঠিক থাকলেও এখানে নতুন করে আসে না নিবাসীরা। উন্নয়ন কর্মীদের মতে, পরিচালনা ক্রটির কারণে কল্যাণমুখী হচ্ছে না নিবাসটি। আর এর ব্যবস্থাপক বলছেন, কেন্দ্রের প্রচার না থাকায় নিবাসী পাচ্ছেন না তারা।    
 
রজনী আক্তার (চারবছরের অধিক সময় ধরে নিবাসে বসবাসকারী) বলেন, ‘আমাকে ইঞ্জেকশন দিয়ে দেয়া হয়ছিল, তারপর আমি নিজেকে আবিস্কার করি টাঙ্গাইলে। স্বপ্ন পূরণ করবে বলে নিয়ে এসেছিল আমাকে।’
চার বছরের অধিক সময় ধরে বগুড়া সদরের  বারোপুর ‘সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে’ থাকা কিশোরীটি তার জীবনে ভুলের কথা তুলে ধরে বাড়ি ফিরে যেতে চান। এখানে যে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তা কাজে লাগিয়ে বাকি জীবন এগিয়ে যেতে চান। কিন্তু কেউ নিচ্ছেন তাকে, কাজের ব্যবস্থাও হচ্ছে না তার। শুধু রজনী নন, অনেকে আট থেকে বারো বছর ধরে বন্দি দশা কাটাচ্ছেন এখানে।  
 
 
উন্নয়ন কর্মীদের মতে, বন্দি রাখার ধ্যান ধারনা থেকে বেরিয়ে এসে যুগপোযোগী প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য কর্মকান্ড পরিচালনা করলে এটিকে আরো মানবিক এবং কর্মমুখী করে গড়ে তোলা সম্ভব।
 
মো. হারুন অর রশিদ (প্রধান নির্বাহী, লাইট হাউজ, বগুড়া) বলেন, ১৮ বছরের মেয়েদেরকে কাজে লাগাতে পারলে আমরা উপকৃত হব।
 মাহফুজ আরা মিভা (নির্বাহী পরিচালক, প্রোগ্রাম ফর ইকো সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট বগুড়া) বলেন, তাদেরকে আমরা কোনো সুবিধাই দিতে পারছি না।
 
নিবাসী না পাওয়ার কারণ হিসেবে পুনর্বাসন কেন্দ্র নিয়ে প্রচার প্রচারণার অভাবকে দায়ী করলেন কেন্দ্রের ম্যানেজার। আর দীর্ঘদিন কেন্দ্র থাকা নিবাসীদের পরিবার গ্রহণ না করার কথা জানালেন তিনি।  
 
মোহা. আব্দুল মানিক (ব্যবস্থাপক ‘সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র) তাদের বাবা মা তাদেরকে নিতে চান না। আমরা চেষ্টা করছি তাদেরকে কাজ শিখিয়ে স্বাবলম্বী করে তুলতে।
 
২০০৩ সালে জেলা সদরের বারোপুরে দেড় একর জমির ওপর প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় পুনর্বাসন কেন্দ্রটি। বর্তমানে কেন্দ্রে একজন কর্মকর্তা, ৩ জন প্রশিক্ষকসহ ১০ জন স্টাফ রয়েছে। এ কেন্দ্রে প্রতিমাসে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩ লাখ টাকা।  
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop