বাণিজ্য সময় ডেলিভারিতে ধীরগতি, কন্টেইনার জটে চট্টগ্রাম বন্দর

০২-০৭-২০১৮, ১০:০৩

কমল দে

fb tw
ঈদের ছুটিতে ডেলিভারির ধীরগতির পাশাপাশি নানা জটিলতার কারণে কন্টেইনার জটের কবলে পড়তে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। ৩৬ হাজার ধারণ ক্ষমতার চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে কন্টেইনার রয়েছে ৪১ হাজারের বেশি। তার সাথে যুক্ত হয়েছে অফ-ডকগামী সাড়ে ৫ হাজার এবং নিলামের অপেক্ষায় থাকা সাড়ে ছয় হাজার কন্টেইনার। এসব কন্টেইনারের পণ্য দ্রুত নিলামের ব্যবস্থা করা না হলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে শঙ্কা বন্দর ব্যবহারকারীদের।  
 
কোনো কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে একদিনের ডেলিভারি বন্ধ থাকলে এর রেশ টানতে হয় অন্তত এক সপ্তাহ। এবারের ঈদ এবং তারপরের একদিন কন্টেইনার ওঠানামা স্বাভাবিক থাকলেও বন্ধ ছিল ডেলিভারি। ফলে বন্দরে কন্টেইনারের স্তূপ জমতে শুরু করে। ৩৬ হাজার ধারণ ক্ষমতার বন্দরে লরিসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি চলাচলের জন্য ৩০ শতাংশ জায়গা খালি রাখতে হয়। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন ইয়ার্ডে কন্টেইনারই রয়েছে ৪১ হাজারের বেশি।  
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা ও প্রশাসনের সদস্য মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন, ভেতরে ২৫ হাজার কন্টেইনার ডেলিভারির অপেক্ষায় আছে, সেগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না। ভেতরে এই গুলো যাওয়া যতটা জরুরি। সেই সঙ্গে যেগুলো বাইরে রয়েছে, সেই গুলো আনাও জরুরি।
মূলত অফ-ডকগামী এবং নিলাম-যোগ্য কন্টেইনারগুলোই জটের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে বলে অভিযোগ বন্দর ব্যবহারকারীদের। বন্দরে বর্তমানে অফ-ডকগামী কন্টেইনার রয়েছে ৫ হাজার ৬০০। একইভাবে নিলামের কন্টেইনার রয়েছে ৬ হাজার ৫০০। গত এক মাসে কোনো নিলাম হয়নি।
সিএমএ-সিজিএম-এর অপারেশন মহাব্যবস্থাপক ওয়াহিদ আলম বলেন, কন্টেইনার অপারেন্স করতাম, সেটা হচ্ছে না। এক্ষেত্রে আমাদেরকে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। এর ফলে জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, জাহাজে জায়গা নেই। মাল ডেলিভারিতে দেরি হচ্ছে। সেই সঙ্গে কন্টেইনার জট বাড়তেই আছে।
 
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহাবুবুল আলম বলেন, মাদার ভেসেল থেকে মাল আনলোড করার পর সেটা যেন বন্দরে পড়ে না থেকে। যেন বাইরে চলে সেই কাজটা দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে। যত দ্রুত হবে, এতে করে একজন আমদানি কারক ততই দ্রুত সে মাল নিতে পারবে।
চলমান জটিলতা নিরসন না হলে বন্দরের ইয়ার্ডে কন্টেইনার রাখার স্থান সংকুলন না হওয়ার আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা।
শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ সভাপতি আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, কন্টেইনারে যদি জায়গা ভর্তি থাকে। এতে জাহাজ যেগুলো আসবে। সেইগুলো খালাস হতে দেরি হবে। সেই ক্ষেত্রে দুই দিনের জায়গা তিনদিন লেগে যাবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বর্তমানে প্রতিদিন ৮ হাজারের বেশি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করছে।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop