স্বাস্থ্য যেভাবে জানবেন আপনার ডায়াবেটিস আছে

০৯-০৫-২০১৮, ১৪:৪৩

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক

fb tw
যেভাবে জানবেন আপনার ডায়াবেটিস আছে
ডায়াবেটিস বর্তমানে এমন এক ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে যা বলে শেষ করা সম্ভব নয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ কেউই রেহাই পায় না এই দুরারোগ্য থেকে। দেখা যায়, জন্মের পর পরই শিশুর ডায়াবেটিস রোগ দেখা যায়। গর্ভকালীন সময়ে মায়ের ডায়াবেটিস থাকলে সেই  মায়ের গর্ভের শিশুটিরও ডায়াবেটিস হয়। তবে যাদের পরবর্তীতে ডায়াবেটিস হয়, সেটা অনেকেই প্রথম দরতে পারেন না।
সাম্প্রতিক এ গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস শুরু হওয়ার আগেই এর পূর্বাভাস পাওয়া যায়। সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিলে আগেই এ রোগ থেকে মুক্তি মেলে। এ জন্য প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে তথ্য জানা। নিয়মিত চিকিৎসকের কাছ গিয়ে পরীক্ষা করা এবং ডায়াবেটিস আছে কি না, তা জানা। নিজের শরীরের ওজন বেড়ে গেছে কি না, তা পরীক্ষা করা।
গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ‘ডায়াবেটিস, ওবেসিটি অ্যান্ড মেটাবোলিজম’ শীর্ষক অনলাইন জার্নালে প্রকাশ  হয়েছে যে আগে থেকেই খেয়াল রাখলেই ডায়াবেটিস হয়েছে জানা সম্ভব।
 ওই গবেষণায় ২ লাখ ৯৬ হাজার ৪৩৯ জন সুস্থ ব্যক্তিকে দুই দশক থেকে পর্যবেক্ষণে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে ২৮ হাজার ২৪৪ জন টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। অর্থাৎ দুই দশকে সাড়ে ৯ শতাংশের মতো ব্যক্তির টাইপ টু ডায়াবেটিস হয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, তাঁদের গবেষণা থেকে দেখা গেছে, আগে থেকেই যাঁদের ডায়াবেটিস সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের ক্ষেত্রে বিষয়টি মিলে গেছে।
টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর শরীরে পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হয় না বা দেহের কোষগুলো ইনসুলিন-প্রতিরোধী হয়ে পড়ে। ডায়াবেটিস একটি মেটাবলিক ডিজিজ। যেসব রোগীর রক্তে ব্লাড সুগার কিংবা গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি পাওয়া যায়, তাঁদের ডায়াবেটিস হয়। হজম হওয়া খাদ্য শরীরের বল ও বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে, আর এই সিস্টেমকেই মেটাবোলিজম বলে। আমরা যেসব খাবার গ্রহণ করি, তার বেশির ভাগই গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়। গ্লুকোজ রক্তের মধ্যে চিনি রূপে মিশে থাকে যা, কিনা আমাদের শরীরের জ্বালানি বলা চলে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে—অনেকেই ডায়াবেটিস শুরুর কথা শুনে অতিরিক্ত মাত্রায় নাটকীয় পরিকল্পনা শুরু করেন, যা বাস্তবসম্মত নয়। এর বদলে ধীরে ধীরে নিজের তথ্যগুলো উন্নত করতে হবে। এ গবেষণায় ২০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর অর্থ, ধীরে ধীরে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন করতে হবে। রক্তে চিনির পরিমাণ না বাড়িয়ে জীবনকে উপভোগ করতে হবে। শরীরের উচ্চতা ও ওজনের অনুপাত বা বিএমআই যদি বাড়তি থাকে, তা কমানোর চেষ্টা করতে হবে। কিছু জিনিসে বিধিনিষেধ মানার বিষয়টি টেকসই হয়। কম ক্যালরির খাবার খাওয়ার মতো বেশ কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে পারেন।
কিছু পরামর্শ:
১. প্লেটে সবজি রাখুন বেশি। দুপুরে অর্ধেক প্লেট সবজি আর রাতে সবজিযুক্ত সালাদ বেশি খান।
২. যারা ভ্রমণ করেন, তাঁরাও চলার পথে ভাজাপোড়া বেশি না খেয়ে সবজি নাশতা সঙ্গে নিন। যেমন: গাজর, মটরশুঁটি, সেলারি।
৩. চর্বিমুক্ত খাবার বেশি খান। খাবারে ভিনেগার, উপকারী মসলা ও ভেষজ, ননিবিহীন দই, লেবুর রস খাওয়ার অভ্যাস করুন।
৪. বাড়তি চিনি ও সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত কোনো খাবার খাবেন না
৫. কোনো প্যাকেটজাত খাবার কেনার আগে উপাদানগুলো পড়ে নিন। যেসব খাবারে চিনির পরিমাণ কম, সেগুলো বেছে নিন। বাড়তি চিনি থেকে আসা ক্যালরি ১০ শতাংশ কমান। গুড়, চিনি, মধু, জুসসহ বিভিন্ন সিরাপ খাওয়ার আগে বিবেচনা করুন।
৬. চর্বিহীন মাংস, চর্বিহীন দুধ ও তরল চর্বিযুক্ত খাবার যুক্ত করুন। রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়লে ফাইবারযুক্ত খাবার বেশি খান। রক্তের অবস্থা বুঝে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা গ্রহণের হার কমান।
৭. শিম ও পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার বেশি করে খান।
৮. যতটা বেশি সম্ভব ফল ও সবজি খান।
৯. মিষ্টি কম করে খান।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop