মহানগর সময় চট্টগ্রাম নগর জুড়ে নির্বাচনী পোস্টার-ফেস্টুন, জনমনে ক্ষোভ

০৫-০৪-২০১৮, ০৪:৫৮

কমল দে

fb tw
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এখনো অনেক সময় বাকি থাকলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোষ্টার ও ফেস্টুনে ভরে গেছে পুরো বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। দেয়াল থেকে শুরু করে রাস্তার আইল্যান্ড এবং ডিভাইডার-কোনো কিছুই বাদ যায়নি আগাম নির্বাচনী প্রচারণা থেকে। এনিয়ে জনমনে ক্ষোভ থাকলেও আইনি জটিলতার কারণে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না নির্বাচন কমিশন। 

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের চারিদিকে এখন পোস্টারের মেলা। কিছুটা রাখ-ডাক রাখার জন্য আগে হয়তো জাতীয় দিবস কিংবা বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোষ্টার লাগাতেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। কিন্তু এখন আর সেদিন নেই। শুভেচ্ছার পাশাপাশি নির্বাচন ঘনিয়ে আসতে থাকায় সরাসরি প্রতীক সম্বলিত পোষ্টার লাগানো হচ্ছে নগর জুড়ে। কেউ যেমন আগামী নির্বাচনী প্রার্থিতা চেয়ে সরাসরি প্রচার চালাচ্ছেন। আবার কেউ পোস্টারের মাধ্যমে নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। উদ্দেশ্যে একটাই, নির্বাচনে মনোনয়নের প্রত্যাশা।
সুজন চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে আমরা যেটা বুঝি সেটা ঠিকভাবে মানা হচ্ছে না।
টি আই বি ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার বলেন,  অতিরিক্ত প্রচারের কারণে নির্বাচনের আবেদন লঘু হয়ে যেতে পারে।
পোষ্টার এবং ফেস্টুন লাগানো নিয়েও প্রধান দু’রাজনৈতিক আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে রয়েছে মত বিরোধ। আওয়ামী লীগ পুরোদমে প্রচারণা চালালেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বাধার কারণে মাঠে নামতে পারছে না বলে অভিযোগ বিএনপির। তবে বিএনপি নেতারা সরাসরি নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহার না করলেও দলের শীর্ষ নেতাদের মুক্তি চেয়ে পোষ্টার লাগিয়ে সমান তালে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি আওয়ামী লীগের।
নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, তারা নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এটা অগণতান্ত্রিক। এক দেশে দুই আইন চলতে পারে না।
নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, তারাও পোস্টার লাগাচ্ছেন। এতে নিষেধের কী আছে?
নির্বাচনী পোস্টারের ক্ষেত্রে সাদাকালোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট মাপ থাকলেও এখানে তা কোনোভাবেই মানা হচ্ছে না। প্রধান প্রধান সড়কগুলোর ডিভাইডারে লাগানো হয়েছে বড় বড় ফেস্টুন। নির্বাচন কমিশন বলছে, আবার আইনি জটিলতার কারণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না।
নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, নগরের সৌন্দর্য রক্ষার জন্য নগরপিতা কিংবা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা ব্যবস্থা নিতে পারেন।
চট্টগ্রামে মোট ১৬টি সংসদীয় আসন থাকলেও  নগরীর বন্দর-পতেঙ্গা, পাহাড়তলী- হালিশহর, কোতোয়ালী, পাঁচলাইশ এবং চান্দগাঁও এলাকার চারটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সবচে বেশি পোষ্টার লাগিয়েছেন।

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop