বাণিজ্য সময় স্বাস্থ্য বীমা নাকি স্বাস্থ্য সুরক্ষা, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনটি বেশি উপযোগী?

২৫-০৩-২০১৮, ০৭:২২

বাণিজ্য সময় ডেস্ক

fb tw
স্বাস্থ্য বীমা না কি প্রচলিত পদ্ধতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনটি বেশি উপযোগী? এ নিয়ে সরকারি পরিকল্পনা ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আছে মতভেদ। সরকারের হেলথ কেয়ার স্ট্র্যাটেজি-২০৩২ অনুযায়ী দেশের অন্তত অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসকদের যেনতেন ভাবে অর্থ উপার্জনের মানসিকতা না বদলালে কোন উদ্যোগই কাজে আসবে না। আর বীমা ব্যবস্থা চালুর আগেই নির্দিষ্ট করতে হবে এর শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
একটু একটু করে উন্নত অর্থনীতির পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। টার্গেট জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি'র সব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন। তাই উন্নত দেশের আদলে করা হয়েছে 'স্বাস্থ্য সেবা স্ট্র্যাটেজি ২০৩২'। এর পরিকল্পনায় বলা হয়, দেশের প্রায় সাড়ে ৮ কোটি মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার জন্য কমিউনিটি ভিত্তিক বীমা ও ক্ষুদ্র বীমার আওতায় আনা হবে। স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয় এ নীতিমালায়।
রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে স্বাস্থ্য বীমার নজির আছে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের দেশগুলোতে। অন্য দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বীমার ধারণা পুরো বেসরকারি খাত ভিত্তিক। তবে তাইওয়ান, ইরান, থাইল্যান্ডসহ এশীয় অঞ্চলের বেশ কিছু দেশে আছে শতভাগ সরকারি স্বাস্থ্য বীমা। পাশের দেশ ভারতে আবার বেসরকারি বীমা পরিচালনার সফলতা চোখে পড়ার মতো।
সরকারের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগ বলছে, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে এরই মধ্যে কয়েক ধরনের বীমা স্কিম নির্ধারণের কাজ শুরু করেছেন তারা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের পরিচালক মো. নূরুজ্জামান বলেন, তাৎক্ষনিক টাকা দিয়ে চিকিৎসা নয়। এর আগে একটা পদ্ধতি থাকবে, যেখানে সরকার তাদেরকে সহায়তা করবে, এবং নিজের অবদান থাকবে। আর যখনই তার চিকিৎসার জন্য বড় অঙ্কের টাকা প্রয়োজন, তখনই সেখান থেকে দেয়া হবে।
বাংলাদেশে এমন ব্যবস্থা চালুর আগেই লাভ-ক্ষতির চুলচেরা বিশ্লেষণের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের উপাচার্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী বলেন, কে এটির সার্ভিস দিবে, এবং কোন পদ্ধতিতে এটি দেয়া হবে। সেই সঙ্গে সাধারণ কিভাবে পাবে সেটিও উল্লেখ্য করতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ও পরিচালক সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, জনগণের কাছে অর্থ না থাকলেও সে যেন নূন্যতম হলেও স্বাস্থ্য সেবা পায়। এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন স্বাস্থ্য সেবা পায়। আর যদি কোয়ালিটি নিশ্চিত করতে না পারলে আশা ব্যঞ্জক ফল পাবেন না।
সরকারি হিসেবে দেশে প্রতি সাড়ে ৬ হাজার মানুষের বিপরীতে ডাক্তার আছে মাত্র ১ জন। ২২ হাজার সরকারি ডাক্তারের বেশিরভাগ থাকতে চান রাজধানীসহ বড় শহরে। এমন অবস্থায় স্বাস্থ্য বীমার মত নতুন ব্যবস্থা চালু করে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা কতটা সম্ভব তা নিয়ে আছে প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুরুর আগেই যথাযথ পর্যালোচনা না করলে স্বাস্থ্য বীমা নিজেই রূপ নেবে ব্যামোয়!

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop