মহানগর সময় স্বর্ণ চোরাচালানে ধরা পড়ছে বহনকারী, গ্রেফতার হচ্ছে না মূল হোতারা

২০-০৩-২০১৮, ০৯:৫০

কমল দে

fb tw
আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের আনা স্বর্ণের বার নিয়ে বিমানবন্দর থেকে নিরাপদে বের হয়ে যাচ্ছে অভ্যন্তরীণ রুটের অপর যাত্রী। এক্ষেত্রে স্বর্ণ চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর। বিশেষ করে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা যাত্রী স্বর্ণের বার বিমানে রেখেই নেমে যাচ্ছে বিমানবন্দরে। আর চট্টগ্রাম থেকে ওঠা যাত্রী সেই স্বর্ণবার নিয়ে পার হচ্ছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এ চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে শুল্ক গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে। 
 
১০ মার্চ সৌদী আরবের জেদ্দা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের সিটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় ৪৮ টি স্বর্ণের বার। এক্ষেত্রে স্বর্ণের বার নিয়ে আসা যাত্রী আগেই বিমানবন্দরে নেমে গেছে। তার শূন্য হওয়া আসনে বসার জন্য অপেক্ষা করছিলো নতুন কেরিয়ার। কিন্তু কেরিয়ারের হাতে যাওয়ার আগেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে স্বর্ণের বার জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দারা। 
১৭ মার্চ এ ধরণের আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রী অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীর জন্য বাথরুমে রেখে যায় ৫০ টি স্বর্ণের বার। কিন্তু এ চালানও চলে আসে শুল্ক গোযেন্দাদের হাতে। 
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ কে এম নুরুল আজাদ বলেন, ‘তাদের কাছে হয়তো ইনফর্ম করা থাকে, এই সিটের এই জায়গায় স্বর্ণের বার লুকানো আছে। তখন যিনি ডোমেস্টিক প্যাসেঞ্জার, উনি সেগুলোকে নিজের হেফাজতে নেয়।’
মূলতঃ আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের বিমানবন্দরে বিভিন্ন তল্লাশীর মুখোমুখি হতে হয়। তবে অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের তেমন একটা তল্লাশী কিংবা নজরদারীর মধ্যে পড়তে হয় না। আর স্বর্ণ চোরাচালান চক্রটি এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাচ্ছে।
সিএমপি’র উপ পুলিশ কমিশনার হারুনুর রশীদ হাযারী বলেন, ‘ডোমেস্টিক প্যাসেঞ্জাররা তো আর কোনো ধরণের নিরাপত্তা তল্লাশী কিংবা কাস্টমস চেকিং ছাড়াই বিমানবন্দর ত্যাগ করতে পারে। যারা আন্তর্জাতিক যাত্রী, কাস্টমস চেকিংটা তাদের জন্যই প্রযোজ্য।’
সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদ উল হাসান বলেন, ‘কেরিয়ার শুধু সেকেন্ড পার্সনের যোগাযোগটা করতে পারে। যদি কোনো কারণে ধরা পড়ে যায়, দেখবেন যে সেকেন্ড পার্সনটা ভ্যানিশ হয়ে যাচ্ছে।’          
শুল্ক গোয়েন্দা কিংবা কাস্টমস বিমানবন্দরে স্বর্ণের চালান আটক করলেও মামলার তদন্ত করছে পুলিশ। কিন্তু চোরাকারবারিদের কৌশলের কারণে শুধুমাত্র কেরিয়ার ধরা পড়লেও মূল হোতারা থেকে যাচ্ছে আইনের আওতার বাইরে। সেইসঙ্গে আদলতে মামলাও প্রমাণ করাটা অনেকটা দূরহ বলে মনে করছেন মহানগর পি পি। 
চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের পি পি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন বলেন, ‘এই জিনিসটাকে যদি ফাইন্ড আউট করতে হয়, তাহলে এটার জন্য দরকার সিভিল এভিয়েশন এবং যে বিমান সংস্থায় এই প্যাসেঞ্জারগুলো যাচ্ছে এবং আসছে, তাকে নজরদারীতে এনে বের করতে হবে।’
চট্টগ্রামে গত তিন বছরে স্বর্ণের চালান আটকের ঘটনায় দায়েরকৃত অন্ততঃ ২০ টি মামলা বর্তমানে বিচারিক পর্যায়ে রয়েছে। আর স্বর্ণের বার ধরা পড়েছে আড়াইশ’ কেজির বেশি।   

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop