বাংলার সময় ‘যতই ঔদ্ধত্য দেখাক, মিয়ানমার সেনাবাহিনী খুবই দুর্বল’

০৪-০৩-২০১৮, ১৭:৫৭

কমল দে

fb tw
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী মূল বাধা বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
এ অবস্থায় রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কৌশলগতভাবে কিছুটা সামরিক চাপ সৃষ্টি করা দরকার বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। 
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ৪৮ ঘন্টা বাংলাদেশ মিয়ানমার মীমান্তের তমব্রু পয়েন্টে কৌশলগতভাবে ভালো অবস্থানে ছিলো মিয়ানমার সেনাবাহিনী। পুরো সীমান্ত পয়েন্টজুড়ে পাঁচশ’র বেশি সেনাসদস্যের বিপরীতে বাংলাদেশের ছিলো হাতেগোনা বিজিবি সদস্য।
কিন্তু হঠাৎ করে শনিবার সকালে বিজিবি সদস্য সংখ্যা বাড়ালে সীমান্ত ছেঢ়ে চলে যায় মিয়ানমার সেনারা। ফলে মুহূর্তেই কমে আসে তিনদিনের সীমান্ত উত্তেজনা।  
বিজিবি ৩৪ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান বলেন, ‘উল্লেখযোগ্য কোনো কিছু ঘটেনি, আমরা দুইদিন আগে যে সামান্য অস্থিরতা দেখেছি, সেই তুলনায় সীমান্তের অবস্থা এখন অনেক ভালো, সাধারণ এবং শান্ত। আমাদের সতর্ক থাকা উচিৎ, ইটস আওয়ার জব।’
স্থানীয়দের মতে, মিয়ানমার সেনারা কিছুটা দুর্বল। শুধু শনিবারের তমব্রু সীমান্ত নয়, এর আগেও বাংলাদেশের সঙ্গে সংঘাতে তারা পিছু হটেছে।            
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আদিল চৌধুরী বলেন, ‘এরা অন্যায় করেছে, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, এরা দুর্বল। এরা যেকোনো সময়ে, যেকোনো পরিস্থিতিতে এরা পিছু হটবে- এটাই স্বাভাবিক।’
রোহিঙ্গা ইস্যুতে গত ছয়মাসের বেশি সময়ের ভেতরে মিয়ানমার সরকারের উপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে দেশটির সামরিক সরকারের উপরেও চাপ সৃষ্টি করা দরকার বলে মনে করছেন বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মূল বাধা দেশটির সেনাবাহিনী। 
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের উপরে যেগুলো হয়েছে, সেগুলো তো মিয়ানমার সেনাবাহিনীই করেছে। তাদের কাছেও যদি একটা কড়া বার্তা পৌঁছানো যায়, কূটনীতির পাশাপাশি, তাহলে আমার মনে হয়, এই সমস্যাটার আশু সমাধান হবে।’
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমেদ বলেন, ‘যেসমস্ত রোহিঙ্গারা এসেছে, যাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে, সুতরাং এটা আন্তর্জাতিক প্রেশারে এখন মিয়ানমার সেনাবাহিনী অবশ্যই দুর্বল।’
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে ৮ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশের টেকনাফ ও উখিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, মিয়ানমারের সৈন্যরা যতোই ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করুক না কেন, মানসিকভাবে তারা খুবই দুর্বল। যে কারণে সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ সত্ত্বেও বিজিবির টহল ব্যবস্থা দেখে তারা সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। আর এভাবে যদি বাংলাদেশ ক্রমাগত তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তাহলে কৌশলগতভাবে অনেকটা এগিয়ে যেতে পারবে।                    

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop