বাংলার সময় পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি বগুড়ায় ৩ মার্চের নারকীয় তাণ্ডবের বিচার

০৩-০৩-২০১৮, ০৪:৫১

মাজেদুর রহমান

fb tw
পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বগুড়ায় তেসরা মার্চের নারকীয় তাণ্ডবের বিচার কাজ। ওই দিন দেলোয়ার হুসাইন সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে গুজব ছড়িয়ে পরকিল্পতিভাবে জামায়াত-শিবির সারা জেলায় তাণ্ডব চালায়।
তাদের  এ ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মানুষ, দোকান-পাট, অফিস-আদালত, থানা,পুলিশ ফাঁড়ি কোন কিছুই রক্ষা পায়নি। এ ঘটনায় সবগুলো মামলার চার্জশিট দেয়া হলেও এখনো শেষ হয়নি কোন মামলার বিচার কাজ। আইন কর্মকর্তা বলছেন, আসামী পলাতক থাকা,মামলার চার্জশিট দিতে দেরিকরাসহ নানান কারণে পিছিয়ে গেছে বিচার কাজ।
২০১৩ সালরে ২৮ ফেব্রুয়ারি মানবতা বিরোধী অপরাধে দেলোওয়ার হোসেন সাঈদীর রায় মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর ৩ মার্চ ভোরে বিভিন্ন মসজিদরে মাইককে সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে বলে পরকিল্পতিভাবে গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয়। পাশাপাশি তাকে রক্ষার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা জেলার ১২ উপজেলায় একযোগে চালায় তাণ্ডব। রাস্তায় গাছ ফেলে বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ কর।  নন্দীগ্রাম, ধূনট,বগুড়া সদর, শিবগঞ্জ, শাহাজানপুর, শেরপুর কাহালু উপজেলা পরিষদ ও থানায় হামলার পাশাপাশি ৬টি পুলিশ ফাঁড়ি, অফিস আদালত,বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা,ভাংচুর,অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় তারা। সে দিনের ভয়াবহতার কথা মনে হলইে এখনো অনেকে আঁতকে ওঠেনে।  
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও মামলার বাদী মো. রেজাউল করিম জিন্নাহ বলেন,  বাড়ি-ঘরের সব কিছু লুটপাট করে এবং আগুন লাগায় দেয়।

বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক তৌফিক হাসান ময়না বলেন, অন্ধকার যুগ যেমন, আমার কাছে সেই দিনটি সব সময় সেই রকমই মনে হয়। সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে সহিংসতার জায়গায় নিয়ে যেতে চেয়েছিল তারা।'
বগুড়া টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের  প্রভাষক আমিনুল ইসলাম ডাবলু,  'এই রকম ভয়ানক গুজব ছড়িয়ে যে তাণ্ডব চালানো হয়েছিল তা অত্যন্ত ভয়াবহ। আমার এই ঘটনার বিচার চাই।'
 
পুলিশ জানায়, তেসরা মার্চের ঘটনায় সব মামলার চার্জশিট দেয়া হয়েছে। যখন যেভাবে আদালতে সাক্ষী হাজির করতে বলা হচ্ছে তাও করা হচ্ছে।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, তদন্ত শেষে সবগুলোর মামলার অভিযোগ পত্র বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হয়েছে। আর সবগুলোই মামলা এখন বিচারাধীন রয়েছে।
মামলার সরকারী কৌসুলি জানান, মামলার প্রক্রিয়াগত কারণে বিচার কাজ  কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে এ বছরই মামলাগুলোর বিচার কাজ শেষ হবে।
বগুড়া জেলা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর মো.আব্দুল মতিন বলেন,  মামলায় কিছু আসামি পলাতক ছিল,এই কারণে মামলা রেডি হয়ে জজ কোর্টে আসতে দেরি হয়েছে।
জেলাতে চলা এসব নাশকতার জন্য মামলা হয় ৬৬টি। এর মধ্যে সবকটি মামলার চার্জশীট দেয়া হয়েছে । বর্তমানে ৬টি মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop