বাংলার সময় সেচের পানি না পাওয়ায় এবারও কমছে বোরো আবাদের জমি

২৩-০২-২০১৮, ০৯:১৮

রতন সরকার

fb tw
চাষের এলাকা কমিয়েও সেচে কুলোচ্ছে না রংপুর অঞ্চলের বোরো আবাদ। তিস্তা সেচ প্রকল্প থেকে এবার লক্ষ্যমাত্রা এসেছে মাত্র আট হাজার হেক্টরের। বিদ্যুৎ ও ডিজেল প্রাপ্তি সাপেক্ষে নির্ভর করছে চার লাখ ৩৭ হাজার হেক্টর জমির সেচ। অবশিষ্ট ৬২ হাজার হেক্টরের বেশি জমির সেচ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনিশ্চয়তা। 
নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ আর চাহিদা মতো ডিজেলের সরবরাহ এখনও পর্যন্ত সেচ সরবরাহ সচল রেখেছে। গভীর, অগভীর নলকূপ দিয়ে মাটির বিভিন্ন স্তর থেকে তুলে আনা পানি এখনও সবুজ সতেজ রেখেছে কৃষকের জমি। 
কিন্তু বোরো মৌসুমে কোনোরকম বিভ্রাটে সেচের পেছনে ব্যয়বৃদ্ধির শঙ্কা কাটছে না কৃষকের। 
এক কৃষক বললেন, ‘কারেন্ট কিছুক্ষণ আছে, কিছুক্ষণ নাই। একটা মোটর বারবার চলে বারবার বন্ধ হয়। পানি চাহিদামতো মেকাপ দিতে পারে না।’
আরেক কৃষক বলেন, ‘যদি কারেন্ট না থাকে, মেশিন নিভে গেলে টাকা বেশি খরচ হয়।’
আরেক কৃষক বলেন, ‘দুই এক ঘন্টা কারেন্ট না থাকাটা কোনো ব্যাপার না, ওটা ম্যানেজ করা যায়। যখন দেখা যায়, একদিনই থাকলো না, ওই একদিনই মেকাপ দেয়া খুব সমস্যা।’ 
১ লাখ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেয়ার মতো সেকেন্ডারি এবং টারশিয়ারি চ্যানেল এমনকী, আউটলেটসহ সবধরণের অবকাঠামো বিদ্যমান। তবু উজানে পানি না থাকায় মাত্র আট হাজার জমিতে সেচ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রায় নেমে এসেছে দেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প- তিস্তা ব্যারেজ।
উত্তরাঞ্চলের রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী আজিজ মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, ‘এ বছর আমরা ১৫০০-২০০০ কিউসেক পানি পাচ্ছি। যদি ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার কিউসেক পানি পেতাম, তাহলে আমাদের ফলন আরও ১০ গুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হতো।’
রিভারাইন পিপল বাংলাদেশের পরিচালক ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, ‘অনেক গরীব মানুষ কৃষিকে কাজে লাগিয়ে তার দ্বীন -দরিদ্র অবস্থাকে ঘুচিয়ে উন্নতির দিকে হাঁটছিলো। কিন্তু ২০১৪ সালে যখন তিস্তার পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহার করা হয়, তারপর থেকে সেটি নেমে এসেছে মাত্র আট হাজার হেক্টর জমির চাষাবাদে।’
প্রথম লাখ ১৪ হাজার ৭১ হেক্টর জমিতে বোরো মৌসুমে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্র নির্ধানরণ করা হলেও পরে কমিয়ে ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৩৭ হেক্টর নির্ধারণের কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। 
সেচ-নির্ভর বোরোর আবাদ কমিয়ে স্বল্প সেচের ভুট্টা আবাদ বাড়াতে এই উদ্যোগ- জানান রংপুর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যান বিশেষজ্ঞ খন্দকার মো. মেসবাহুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘ভুট্টার আবাদ গতবছরের তুলনায় এখানে কিন্তু বেড়ে যাচ্ছে। যে ভুট্টা আবাদ চলছে এখন সেটা ১ লাখ হেক্টরের উপরে চেলে যাবে। সেক্ষেত্রে বাকি জমিটুকুও ভুট্টা আবাদের দিকে চলে যাবে।’
তিস্তা প্রকল্পসহ বিদ্যুৎ ও ডিজেল চালিত ২৪৭৫ টি গভীর ও অগভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচের আওতায় এসেছে চার লাখ ৩৭ হাজার ১৪১ হেক্টর জমির বোরো আবাদ।                   

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop