বাংলার সময় জয়পুরহাটে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনের হাওয়া

১২-০২-২০১৮, ১১:০৪

মাজেদুর রহমান

fb tw
উত্তর পশ্চিমের সীমান্তঘেঁষা জেলা জয়পুরহাটে বইতে শুরু করেছে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের হাওয়া। জেলা সদর হওয়ায় সংসদীয় এক আসন দখলে নিতে মরিয়া বড় তিন দলই। ভোটের মাঠে এগিয়ে থাকতে দল গোছাতে কাজ করছে রাজনৈতিক দলগুলো। নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান দাবি করে জয় নিয়ে আশাবাদী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। আর মহাজোটের কিংবা একক প্রার্থী দিয়ে জয় চায় জাতীয় পার্টি। 

জয়পুরহাটের সদর ও পাঁচবিবি উপজেলার সতেরো ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা নিয়ে  জয়পুরহাট-এক আসন। স্বাধীনতার পর থেকে এ আসনে বেশিরভাগ সময় জয় পেয়েছে বিএনপি। ২০১৪ সালে অংশ না নিলেও আগামী নির্বাচনে আসনটি পুনরুদ্ধারে ভোটের মাঠ গোছাতে ব্যস্ত দলটি। 
জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. শামছুল হক বলেন, ‘প্রত্যেকটা থানা এবং পৌর কমিটি এমনকী ওয়ার্ড কমিটিও সাজানো আছে। বর্তমানে নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিটিও আমরা তৈরি করছি।’    
 
জেলা বিএনপির সহসভাপতি মমতাজ উদ্দিন মন্ডল বলেন,‘সরকার যদি ফ্রি ফেয়ার নির্বাচন দেয়, আমরা গোটা জেলাতে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ইনশাল্লাহ পাস করে যাব।’
দশম সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের সভাপতি সামছুল আলম দুদু। আগামী নির্বাচনে জয় ধরে রাখতে চায় দলটি। 
সামছুল আলম দুদু বলেন, ‘আমার আগে যারা এমপি ছিলেন এখানে, তারা যে ডেভলপমেন্ট করেছেন, আমি মনে করি তারা সবাই মিলে যা করেছেন আমি একাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে  সেই ডেভলপমেন্ট করেছি। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ এবারো আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে না।’  
জয়পুরহাট পাঁচবিবির উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘এলাকায় আওয়ামী লীগের যথেষ্ঠ অর্জন হয়েছে। আমরা নিঃসন্দেহে এই আসনটি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে পারবো।’  
এ আসনে মাত্র একবারই জয় পেয়েছে জাতীয় পার্টি। ২০১৪ সালে প্রার্থী দিলেও শেষ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার করা হয়। এ অবস্থায়, আগামী নির্বাচনে মহাজোটের হয়ে প্রার্থী দিতে চায় জাপা। 
জয়পুরহাট জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক  আসম মোক্তাদির রহমান তিতাস বলেন, ‘সম্মেলন করবার পর থেকে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে। আমরা জাতীয় পার্টির কমিটি করা শুরু করেছি। আমি আশাবাদী পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহাম্মদ এরশান এবারো এই আসনে আমাকে মনোনয়ন দেবেন।’ 
১৯৭৩ এর নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী জিতলেও ৭৯-তে এই আসনে জয় পায় বিএনপি। ৮৬ তে আওয়ামী লীগ এবং ৮৮’র নির্বাচনে বিজয়ী হয় জাতীয় পার্টি। ১৯৯১, ৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ বিজয়ী হয় ধানের শীষ। ২০১৪’র নির্বাচনে জয় পায় আওয়ামী লীগ।
 

করোনা ভাইরাস লাইভ

আরও সংবাদ

stay home stay safe
বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop