মহানগর সময় জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক না হলেও, চট্টগ্রামে চলছে পুরোদমে প্রস্তুতি

২৯-০১-২০১৮, ০৪:০৬

কমল দে

fb tw
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনক্ষণ এখনো ঠিক না হলেও চট্টগ্রামে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি। এক্ষেত্রে দলীয় মনোনয়ন পেতে গ্রুপিংয়ের পাশাপাশি শীর্ষ পর্যায়ে লবিংয়ে ব্যস্ত রয়েছে দু'দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে মহানগরের চারটি আসনে ২০১৪ সালে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া প্রার্থীরাই বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে অনেকটা নির্ভার রয়েছেন তারা। তবে আওয়ামী লীগ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ গ্রিন সিগন্যাল না পাওয়ায় সবাই মাঠে থাকার চেষ্টা করছেন।
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। সে অনুযায়ী এখনো ১০ মাস বাকি। কিন্তু এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছে মাঠ দখলের চেষ্টা। বিশেষ করে প্রধান বিরোধীদলের শীর্ষ পর্যায় থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে সুনির্দিষ্ট করে কোনো ঘোষণা না দিলেও নেতা-কর্মীরা বসে নেই।
ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে শীর্ষ নেতাদের কাছে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। যোগাযোগ বাড়িয়েছে কর্মীদের সাথেও। ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে অংশ না নিলেও যারা সে মনোনয়ন পেয়েছিলেন তারাই এগিয়ে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন নগর নেতারা।  
নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, 'আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য সংগঠনকে আমরা তৃণমূল থেকে যাচাই করছি। একাধিক প্রার্থী আছে, এরমধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেয়া হবে।'
নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত  হোসেন বলেন, '২০১৪ সালের নির্বাচনে যে প্রার্থী কাজ করছিলো ২০১৮ সালের নির্বাচনে ওই ৩০০ প্রার্থীরাই কাজ করছে।'
 
গত নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেয়ায় জোটের শরীকদের অনেক কিছুই ছাড় দিয়েছিলো আওয়ামী লীগ। সে সাথে নগর নেতাদের অভ্যন্তরীণ বিরোধও কম ছিলো না। কিন্তু এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের জয় ছিনিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কথা বলছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
আ.লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, 'দ্বন্দ-বিভেদ যাই থাকুন না কেন, দলের সংকটকালে নেতারা দলের জন্য কি করছেন সেটাই হচ্ছে মূল।'
নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী যে আসনে যাকে দিবেন আমাদের দায়িত্ব হলো তাকে নিয়েই মাঠে নামা।'
চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটি পুরোপুরি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অন্তর্ভুক্ত। এর বাইরে তিনটি আসনের আংশিক। এছাড়া বাকি ১০টি আসন পড়েছে উত্তর ও দক্ষিণ জেলায়। এর মধ্যে গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তিনটি আসন জোটের শরীক জাতীয় পার্টি ও জাসদকে ছেড়ে দিয়েছিলো।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
বিপিএল ২০২০

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop