স্বাস্থ্য বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা অবশ্যই কিন্তু কেন?

২৬-০১-২০১৮, ১৬:৫৫

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক

fb tw
বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা অবশ্যই কিন্তু কেন?
বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা স্বামী-স্ত্রীর জন্য জরুরি। অনেক অসুখের কারণ হতে পারে স্বামী-স্ত্রীর বহন করা কিছু জিন। যেমন—থ্যালাসেমিয়া। মা-বাবা এ রোগের বাহক হলে সন্তানেরও হতে পারে। আবার হেপাটাইটিস-বি এমন অসুখ, যা শুধু সন্তান নয়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজন আক্রান্ত হলে অন্যজনও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।
স্বামীর রক্তের গ্রুপ যদি পজিটিভ হয়, তাহলে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হওয়া ভালো। যদি স্বামীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হয়, তাহলে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে ভালো।
পজিটিভ হলেও ক্ষতি নেই। কিন্তু স্বামীর রক্তের গ্রুপ যদি পজিটিভ হয়, স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই গ্রুপের নেগেটিভ হওয়া চলবে না। আর স্ত্রীর গ্রুপ যদি নেগেটিভ হয়, তবে তার জন্য নেগেটিভ গ্রুপধারী স্বামী হলে অনাগত সন্তানের অনেক স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়। যেমন—স্বামীর রক্ত যদি পজিটিভ আর স্ত্রীর যদি নেগেটিভ হয়, তবে প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে তেমন সমস্যা না হলেও দ্বিতীয় সন্তান থেকে সমস্যা শুরু হতে পারে।
বিশেষ করে প্রথম সন্তান যদি পজিটিভ গ্রুপের রক্ত নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। তবে দ্বিতীয় সন্তানেরও যদি রক্ত পজিটিভ হয় সে ক্ষেত্রে সমস্যা বেশি হয়। যদি কারো স্বামীর গ্রুপ পজিটিভ ও স্ত্রীর গ্রুপ নেগেটিভ হয়, তবে বাচ্চা ডেলিভারির আগেই চিকিৎসককে জানালে স্ত্রীর শরীরে বিশেষ ইমিউনোগ্লোবিউলিন প্রয়োগ করে মৃত্যুঝুঁকি কমানো যায়।
সিফিলিস
রক্তের  পরীক্ষা করলেই জানা যাবে পাত্র বা পাত্রী কেউ সিফিলিসের জীবাণু বহন করছে কি না । ভিডিআরএল পরীক্ষায় যৌন রোগ আছে কি না দেখা যাবে । সিফিলিসে আক্রান্ত বাব-মায়ের সন্তান বিকলাঙ্গও হতে পারে । এছাড়া রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই ধরা পড়বে এইডসের জীবাণু ।
থ্যালসেমিয়া
রক্ত পরীক্ষা করিয়ে দেখে নিন ছেলে বা মেয়ে থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না । পাত্র-পাত্রী থ্যালসেমিয়ায় আক্রান্ত থাকলে তাদের সন্তানও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে ।  থ্যালসেমিয়া একটি বংশগত রোগ । হেপাটাইটিস-বি মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি । পাত্র বা পাত্রী যেকোন একজনের দেহে এর ভাইরাস থাকলে অন্যজনের আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা থাকে। এই সঙ্গে অনাগত সন্তানের মধ্যেও রোগটি সংক্রমিত হতে পারে। এটি অন্যতম একটি ঘাতক ব্যাধি । তাই বিয়ের আগেই রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হওয়া উচিৎ পাত্র কিংবা পাত্রীর হেপাটাইটিস-বি আছে কি না ।
রক্তের গ্রুপ
প্রথমেই রক্তের গ্রুপগুলো সম্পর্কে জেনে নিন । প্রধানত রক্তের গ্রুপের দুইটি ভাগ রয়েছে । ১. এবিও পদ্ধতি ( অর্থাৎ এ, বি, এবি এবং ও ) অন্যটা আরএইচ ফ্যাক্টর ( আরএইচ পজেটিভ এবং আরএইচ নেগেটিভ ) । এই রেসাস ফ্যাক্টরই ঠিক করে দেয় ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে, না নেগেটিভ হবে । ব্লাড গ্রুপগুলো হলো- এ পজেটিভ, এ নেগেটিভ, বি পজেটিভ, বি নেগেটিভ, এবি পজেটিভ, এবি নেগেটিভ, ও পজেটিভ এবং ও নেগেটিভ ।

করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ

করোনা ভাইরাস লাইভ

আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি আর্কাইভ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop